advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনাকালে মা-শিশুদের ভরসা মতলব আইসিডিডিআরবি

মাহফুজ মল্লিক মতলব দক্ষিণ
২৩ মে ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২২ মে ২০২০ ২৩:৪৩
advertisement

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোয় সাধারণ চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম এখন বন্ধপ্রায়। হাসপাতালগুলোতে অনেকটাই রোগীশূন্য। চিকিৎসকদের ‘গাছাড়া ভাবের’ কারণে এসব হাসপাতালে যেতে রোগীদেরও অনীহা। এ অবস্থায় ঠিক উল্টোচিত্র আইসিডিডিআরবির মতলব হাসপাতালে। সেখানে মা-শিশুদের চিকিৎসা চলছে পুরোদমে। গত ১৭ দিনে সেখানে চিকিৎসা নিয়েছেন ৫৬০ জন। বর্তমান দুর্যোগের সময়ে এই হাসপাতালটি তাদের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আইসিডিডিআরবির মতলব হাসপাতালে গত ১৭ দিনে (১ থেকে ১৭ মে) প্রসবকালীন, প্রসবপূর্ব ও প্রসবোত্তর চিকিৎসা নিয়েছেন ৩৯৫ নারী। এ সময় সাধারণ প্রসব (নরমাল ডেলিভারি) হয় ২৯ প্রসূতির। সর্দি, জ্বর ও আমাশয় এবং আরও বিভিন্ন সাধারণ রোগের চিকিৎসা নিয়েছে ৮৪টি শিশু। এদের বয়স শূন্য থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে। এ ছাড়া ৩২টি অপুষ্ট নবজাতককে ‘ক্যাঙারু মাদার কেয়ার ইউনিটে’ এবং ১৮টি নবজাতককে বিশেষ ইউনিটে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ওই নয় দিনে মোট চিকিৎসা নিয়েছে ৫৬০ মা ও শিশু। প্রতিদিন গড়ে চিকিৎসা নিয়েছে প্রায় ৩৩ জন (মা ও শিশু)। এসব মা ও শিশুর বাড়ি চাঁদপুর সদর, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ এবং ফরিদগঞ্জ, হাজীগঞ্জ ও হাইমচরসহ আশপাশের এলাকায়। গতকাল রবিবার সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছে ৪৫ জন। বিশেষ করে ডায়রিয়া ওয়ার্ডগুলোর পাশাপাশি মা ও শিশু ওয়ার্ডগুলোও রোগীতে ভরপুর।

আইসিডিডিআরবির জ্যেষ্ঠ চিকিৎসা কর্মকর্তা চন্দ্রশেখর দাস আমাদের সময়কে বলেন, করোনার ঝুঁকি থাকার পরও এই হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা অত্যন্ত সতর্কতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এই দুর্যোগে রোগীরা, বিশেষ করে কোনো প্রসূতি মা ও শিশু যাতে যথাযথ চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে। নৈতিক বাধ্যবাধকতা ও দায়িত্ববোধের কারণেই তারা নিরলসভাবে চিকিৎসাসেবার কাজ করে যাচ্ছেন। উপজেলার আলগিমুকুন্দী গ্রামের শেফালী বেগম (২৬) জানান, প্রসবপূর্ব চিকিৎসা ও সেবা নেওয়ার জন্য রবিবার এখানে আসেন। চিকিৎসকেরা তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরামর্শ দিয়েছেন। করোনার এ সময়ে এই হাসপাতালটিই এখন তাদের একমাত্র ভরসা।

advertisement
Evall
advertisement