advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ভারতের ৩ এলাকা নিজেদের দাবি নেপালের, শিগগিরই নতুন মানচিত্র প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
২৩ মে ২০২০ ০২:০৪ | আপডেট: ২৩ মে ২০২০ ১১:২৩
advertisement

ভারতের অভ্যন্তরে থাকা উত্তরাখন্ডের কালাপানি, লিপুলেখ ও লিমপিয়াধুরা অঞ্চলকে নিজেদের বলে দাবি করেছে নেপাল। মূলত অঞ্চল তিনটি ভারত ‘দখল’ করে রেখেছে জানিয়ে তা ফেরাতে নেপালের সংসদে একটি প্রস্তাব পেশ করেছে দেশটির শাসক দল কমিউনিস্ট পার্টি।

শুধু তাই নয়, কালাপানি, লিপুলেখ ও লিমপিয়াধুরা অঞ্চলকে নিজেদের মানচিত্রেও অন্তর্ভুক্ত করেছে দেশটি। নেপালের মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনটি এলাকা অন্তর্ভুক্ত করে নতুন মানচিত্রের অনুমোদন দিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, শিগগিরই ম্যাপ প্রকাশ করবে নেপাল।

পাকিস্তান ও চীনের পর সীমান্ত নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিল হিমালয় কন্যা নেপাল। বেইজিংয়ের সঙ্গে অরুণাচল প্রদেশের দোকালাম নিয়ে সমস্যা আছে দিল্লির। আর কাশ্মীর নিয়ে পাক-ভারত দ্বন্দ্ব তো যুগ যুগ ধরে।

দ্য ডিপ্লোম্যাট ও কাঠমান্ডু পোস্টের খবরে বলা হয়, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ গিয়াওয়ালি নতুন মানচিত্রের কথা ঘোষণা করে বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয় শিগগিরই জনসমক্ষে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করবে।

সময় বাঁচাতে উত্তরাখন্ড থেকে লিপুলেখ পাস পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার লম্বা সড়ক তৈরি করছে ভারত। উদ্দেশ্য, পূণ্যার্থীদের মানস সরোবর পর্যন্ত তীর্থযাত্রা সুগম করা। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি নেপাল। সড়কটি নিজ দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কাঠমান্ডু। কয়েক দিন আগে ভারত-নেপাল সীমান্তে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করার কথা জানিয়ে পরিস্থিতি আরও ঘোলা করে নেপাল। যে কারণে ভারতের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক বেশ অবনতি ঘটে। তবে নতুন মানচিত্র প্রকাশের পর প্রতিবেশী দেশের সঙ্গেও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা করা হবে বলেও জানিয়েছে নেপাল।

ভারত-নেপাল দুদেশই কালাপানি তাদের বলে দাবি করে। নিজ দেশের ধারচুলা জেলার আওতায় কালাপানি অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি নেপালের। অন্যদিকে ভারত দাবি করে কালাপানি উত্তরাখন্ডের পিথরগড় জেলার অন্তর্গত।

এই অবস্থায় নেপালের জমিতে সড়ক তৈরি করে ভারত দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি লঙ্ঘন করছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ গিয়াওয়ালি। ১৮১৬ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও নেপালের রাজার মধ্যে সই হয় সুগাউলি চুক্তি। সেখানে বলা আছে, মহাকালী নদীর পূর্বের অংশ নেপালের। ১৯৮৮ সালের বৈঠকেও ভারত স্থায়ী সীমান্ত মেনে চলতে রাজি হয়েছিল।

কিন্তু নেপালের দাবি নাকচ করে দিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লি জানিয়েছে উত্তরাখন্ড থেকে লিপুলেখ পাস পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার লম্বা সড়কটি ভারতের জমিতে তৈরি।

নেপালের মানচিত্র পরিবর্তনকে চীনের চাপ হিসেবে দেখছে ভারতের কূটনৈতিক মহল। বিশ্লেষকদের মতে, চীন–সমর্থিত নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান পুষ্পকমল দহাল প্রচণ্ডের কারণে গুরুত্ব বেড়েছে নেপাল সরকারের। বেজিংয়ের নির্দেশে তিনিই ভারতের বিরুদ্ধে উসকানি দিচ্ছেন।

advertisement
Evall
advertisement