advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনা ও বেঁচে থাকার যুদ্ধে প্রচেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ মে ২০২০ ০০:২৩ | আপডেট: ২৪ মে ২০২০ ০০:২৩
advertisement

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষজন। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অনেকে। করোনা দুর্যোগে ইতিমধ্যেই এসব অসহায় ও দুস্থদের পাশে দাড়িয়েছে অলাভজনক সংগঠন প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন। দেশের বিভিন্ন স্থানে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর পাশাপাশি তারা বিতরণ করছে পরিবারগুলোর জন্য এক বেলা খাবার। মাসজুড়ে চলা এই কার্যক্রমে ইতিমধ্যেই রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বেশ কিছু এলাকায় দুস্থ পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে তারা।

প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইকরাম উদ্দিন আবির বলেন, ‘সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনা মূল্যে পড়াশোনার সুযোগ করে দিতে সাত বছর আগে প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ। মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়ায়, প্রচেষ্টা অল্প সময়েই মানুষের মনে জায়গা করে নেয়। করোনার এই যুদ্ধেও থেমে নেই আমরা। প্রাণঘাতী এই মহামারির কারণে নিম্ন আয় বা দিন আনা দিন খাওয়া মানুষজন মানবেতর জীবন-যাপন করছে। আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিয়ে এসব মানুষের পাশে দাঁড়াতে। রমজান মাসকে কেন্দ্র করে আমরা মোট ২৫ হাজার মানুষকে প্রতিদিন ইফতার করাচ্ছি। ঢাকার ৪টি জোনে তা চলছে।’

ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে খাবার বিতরণ করছেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর সফিউল্লাহ সফিসহ আরও অ‌নে‌কে

প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন কার্যক্রম প্রসঙ্গে তেজগাঁও ২৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সফিউল্লাহ সফি বলেন, ‘প্রাণঘাতি এ ভাইরাসের প্রকোপ মোকাবিলায় সরকারের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে কাজ করা বেসরকারি সংস্থাগুলোকে আমি সাধুবাদ জানাই। সবার অংশগ্রহণেই আমরা এই যুদ্ধে জয়ী হবো। করোনার এই কান্তিকালে প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের এমন উদ্দ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে তারা যেভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে নিঃস্বন্দেহে এটি প্রশংসার দাবীদার। ওদের এমন উদ্দ্যোগ হাজার হাজার দুস্থ ও অসহার পরিবারকে বেঁচে থাকার সাহস দিয়েছে। মানুষের কল্যানে সব সময়ই পাশে ছিল আওমীলীগ সরকার। প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের এমন সেবামূলক কাজে আমরা আছি এবং আগামীতেও পাশে থাকবো। ’

এদিকে, করোনাকালীন প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম প্রসঙ্গে ইকরাম উদ্দিন আবির জানান, ভয়াবহ এই পরিস্থিতিতে তারা চারটি অর্গানাইজেশন মিলে কাজ করছে। ইতিমধ্যেই প্রচেষ্টার পক্ষ থেকে ঢাকা ও ঢাকার বাহিরে নিম্নবিত্ত প্রায় ৩০০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে প্রায় দুই সপ্তাহের খাদ্যসমগ্রী দেওয়া হয়েছে। এছাড়া লকডাউনের আগে, অর্ধশত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে সাবান ও সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়ে যাওয়া হয়েছে।

করোনা যুদ্ধে দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি তারা কোভিড-১৯ আক্রান্তদের দিকেও বাড়িয়ে দিয়েছে সহযোগিতার হাত। প্লাটফর্ম’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে রক্তের প্লাজমা সংগ্রহের কাজ করে যাচ্ছে। ‘প্রচেষ্টা প্লাজমা ডোনার হান্ট’ শিরোনামে ইতিমধ্যেই প্লাজমা সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে।

সামাজিক কার্যক্রমগুলো এগিয়ে নেওয়ার জন্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যম থেকে তহবিল সংগ্রহ করছেন বলেও জানান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা।

advertisement
Evaly
advertisement