advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

তিস্তায় লাশ ফেলে দেওয়া সেই মৌসুমীর করোনা রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’

লালমনিরহাট প্রতিনিধি
২৮ মে ২০২০ ১২:২৭ | আপডেট: ২৮ মে ২০২০ ১৩:০৪
পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের মরদেহ। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

করোনাভাইরাস সন্দেহে তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের (২২) লাশ তিস্তা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন না বলে গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় নিশ্চিত করেছেন লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন নির্মলেন্দু রায়।

এর আগে মৌসুমী আক্তারের নমুনা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় তার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। মৃত মৌসুমী আক্তার পাটগ্রাম উপজেলার বাউড়া ইউনিয়নের সরকারের হাট এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী।

আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকারি ব্যাগে মোড়ানো মর্গের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ইউডি মামলা করা হয়েছে। মৃতের পরিচয় জানার পরে মেয়ের বাবার আকুতি শুনে পুলিশ সুপারের নির্দেশে দুই থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে মরদেহ তার গ্রামে দাফন করা হয়েছে।’

জানা গেছে, মৌসুমী আক্তার কাজ করতেন গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায়। ২২ বছর বয়সী এই পোশাক শ্রমিক অসুস্থতা নিয়ে গত ২১ মে ট্রাকে করে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। ওই ট্রাকেই তার মৃত্যু হয়। করোনাভাইরাস সন্দেহে পরের দিন লাশটি ফেলে পালিয়ে যায় ট্রাকচালক।

পরের দিন রংপুরের তাজহাট থানার পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। খবর পেয়ে পরের দিন হাসপাতালে ছুটে যান তার বাবা। তিনি লাশ গ্রামে কবর দিতে চাইলে বাধা দেন স্থানীয় চেয়ারম্যান। পরে লাশবাহী গাড়ির চালককে ৫ হাজার টাকা দিয়ে লাশটি দাফন করতে বলেন সেই বাবা।

কিন্তু লাশটি দাফন না করে তিস্তা নদীতে ফেলে দেয় ওই লাশবাহী গাড়ির চালক। সেই লাশ গত রোববার উদ্ধার করে আদিতমারী থানা পুলিশ। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান মৌসুমীর বাবা। পরে প্রশাসনের নেতৃত্বে সোমবার ঈদের দিন বিকেলে মরদেহের জানাজা শেষে নিজ গ্রামে তাকে দাফন করে পুলিশ।

advertisement