advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

৩১ মে থেকে খুলছে বাণিজ্যিক বিতান ও শপিংমল

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ মে ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৯ মে ২০২০ ০০:১১
advertisement

ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে ৩১ মে রবিবার থেকে খুলছে রাজধানীর বাণিজ্যিক বিতান ও শপিংমল। গত ২১ মে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রেতা ও বিক্রেতারা স্বাস্থ্যবিধি না মানলে শাস্তির ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছে সংগঠনের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন।

দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মালিক সমিতির গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহানগরের সব

বাণিজ্য বিতান ও শপিংমল ২৯ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ৩০ মে ছুটি থাকায় ৩১ মে থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিধিনিষেধ মেনে যথানিয়মে মার্কেট ও বিপণিবিতান খোলা রাখা হবে।

এর আগে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় দেশে গত ২৬ মার্চ থেকে টানা ৬৭ দিনের ছুটি দেওয়া হয়। আগামী ৩০ মে শেষ হচ্ছে এ সাধারণ ছুটি। টানা ছুটি ও লকডাউন পরিস্থিতির কারণে ইতোমধ্যে বড় লোকসানে রয়েছেন পোশাকসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এ খাতের সঙ্গে জড়িত বিপুল সংখ্যক মানুষ।

এদিকে এবার রমজান মাসে মার্কেট খোলার পর ব্যবসায়ীদের অভিজ্ঞতা সন্তোষজনক ছিল না উল্লেখ করে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন আমাদের সময়কে বলেন, এর আগে ঈদবাজারে মার্কেট খোলার অনুমতি দেওয়া হলেও অনেক মার্কেট ও বিপণিবিতানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা না মানার অভিযোগ মিলেছে। দফায় দফায় বেশকিছু মার্কেট ও আউটলেট বন্ধও করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ক্রেতারাও যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানেননি। এতে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে আমাদের। এবার এমনটা ঘটতে পারে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, মালিক সমিতির পক্ষ থেকে মার্কেট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ক্রেতারাও স্বাস্থ্য নিরাপত্তার ব্যাপারে ছিল উদাসীন। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবিÑ যেসব ব্যবসায়ী ও ক্রেতা কেনাকাটায় স্বাস্থ্যবিধি মানবেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। যারা মাস্ক ছাড়া মার্কেটে আসবেন, কিংবা সামাজিক দূরত্ব বিধি লঙ্ঘন করবেন তাদের অর্থদ-ের আওতায় আনা উচিত। মাস্ক ব্যবহার না করলে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা ও সামাজিক দূরত্ব না মানলে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানা করা যেতে পারে। এতে রমজানের মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হবে না। ক্রেতা ও ব্যবসায়ী উভয়ই নিরাপদ থাকবেন। অর্থনীতির চাকাও সচল থাকবে। এ ছাড়া যেসব মার্কেট ও ব্যবসায়ী সরকারি নির্দেশনা মানবেন না তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনে ওই মার্কেট বন্ধ করে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এর আগে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ থাকা শপিংমল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গত ১০ মে থেকে সীমিত আকারে খোলার অনুমতি দেয় সরকার। তবে করোনা ভাইরাস উদ্বেগজনক হারে বিস্তারের কারণে জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় রমজান মাসে রাজধানীর অধিকাংশ মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ ছিল।

advertisement