advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

লিবিয়ায় গুলি করে হত্যা ২৬ বাংলাদেশিকে

২৯ মে ২০২০ ০৯:১৩
আপডেট: ২৯ মে ২০২০ ০৯:১৩
advertisement

লিবিয়ায় মানবপাচারকারীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে ২৬ বাংলাদেশিসহ ৩০ অভিবাসী নিহত হয়েছেন। নিহত বাকি ৪ জন আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের। এ ছাড়া ১১ বাংলাদেশি গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলি থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরের মিজদাহ শহরে এই ঘটনা ঘটে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
লিবিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, বাংলাদেশিসহ ওই অভিবাসীদের মিজদাহ শহরের একটি জায়গায় টাকার জন্য জিম্মি করে রেখেছিল মানবপাচারকারী চক্র। এ নিয়ে এক পর্যায়ে ওই চক্রের সঙ্গে মারামারি হয় জিম্মি অভিবাসী শ্রমিকদের। এতে এক মানবপাচারকারী মারাও যায়। এরই প্রতিশোধ হিসেবে এক মানবপাচারকারী ও নিহত পাচারকারীর পরিবারের লোকজন ওই হত্যাকা- ঘটায়।
লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, প্রাণে বেঁচে যাওয়া এক বাংলাদেশির সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়। তিনি বর্তমানে একজন লিবিয়ানের আশ্রয়ে
আত্মগোপন করে আছেন। সেখান থেকে তিনি দূতাবাসকে জানান, ১৫ দিন আগে বেনগাজী থেকে মরুভূমি পাড়ি দিয়ে মানবপাচারকারীরা তাদের ত্রিপলি শহরে নিয়ে যাচ্ছিল। পথে মিজদাহ শহরে তিনিসহ ৩৮ জন বাংলাদেশিকে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে জিম্মি করে। জিমি¥ অবস্থায় অত্যাচার, নির্যাতনের একপর্যায়ে অপহৃতরা মূল অপহরণকারী লিবিয়ান ব্যক্তিকে হত্যা করে। এর জের হিসেবে তার সঙ্গীরা জিম্মিদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে। এতে ২৬ বাংলাদেশি নিহত হন। তাদের মৃতদেহ মিজদাহ হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ১১ জন বাংলাদেশি হাতে-পায়ে, বুকে-পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে ত্রিপলি মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেন, পাচারকারীরা ত্রিপলি থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে তাদের হত্যা করেছে। ধারণা করা হচ্ছে অন্য কোনো দেশে তাদের পাচার করা হচ্ছিল। পথে তাদের সঙ্গে কোনো ঝামেলা হওয়ায় পাচারকারীরা তাদের মেরে ফেলেছে। দূতাবাসের পক্ষ থেকে একজনকে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

advertisement