advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আশা ছাড়ছে না বিসিবি

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৩০ মে ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩০ মে ২০২০ ১৬:৪৯
advertisement

দেশের ক্রিকেট কবে মাঠে গড়াবে তা এখনই বলার উপায় নেই। পরিস্থিতি বুঝে তবেই সিদ্ধান্ত নিতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে জুলাইয়ে শ্রীলংকা সফর বা আগস্টে দেশের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ আশার আলো দেখাচ্ছে। বিসিবির সিইও নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন বলছেন, শুধু বোর্ড চাইলেই হবে না, খেলোয়াড়দের মতামত খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

করোনা ভাইরাসের কারণে ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাংলাদেশের কয়েকটি সিরিজ ইতোমধ্যে স্থগিত হয়ে গেছে। তবে শ্রীলংকা সফর দিয়ে এ বছর টাইগাররা আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে! বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ৩টি ম্যাচের আয়োজক শ্রীলংকা। দেশটিতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের হার কম হওয়ায় আশার আলো দেখা যাচ্ছে! অবশ্য সবকিছু সময়ের ওপর নির্ভর করছে। এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিসিবি।

আগামীকাল থেকে শর্তসাপেক্ষে সীমিত আকারে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশায়িত এবং বেসরকারি অফিস নিজ ব্যবস্থাপনায় খোলার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বিসিবির সিইও জানিয়েছেন, ক্রিকেট জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে না পড়ায় তারা কোনো তাড়াহুড়ো করতে রাজি নন। মাঠের খেলা শুরুর আগে ক্রিকেটারদের মতামত অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। কবে নাগাদ দেশের ক্রিকেট আবার মাঠে গড়াবে তা এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না বিসিবির সিইও।

করোনা ভাইরাসের থাবায় মার্চের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশ দলের পাকিস্তান সফর ভেস্তে গেছে। ওই সফরে ছিল একটি ওয়ানডে ও একটি টেস্ট ম্যাচ। পিছিয়ে গেছে আয়ারল্যান্ড সফরও। এ ছাড়া জুনে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুটি ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার। বিসিবি ও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিদ্ধান্তে তা স্থগিত হয়ে গেছে। এখন বাংলাদেশের সামনে শ্রীলংকা সফর। এর পরই রয়েছে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ। দুই ম্যাচের টেস্ট খেলতে আগস্টে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা রয়েছে কিউইদের। এই দুই আন্তর্জাতিক সিরিজ এখনো বাতিল হয়নি। আর এ কারণেই আশা ছাড়ছে না বিসিবি। নিজাম উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, বোর্ডের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের মতামত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেখা গেল আমাদের খেলোয়াড়রা রাজি কিন্তু শ্রীলংকা বা নিউজিল্যান্ডের খেলোয়াড়রা রাজি না তা হলে কিন্তু হবে না। আবার ওরা রাজি কিন্তু আমাদের খেলোয়াড়রা রাজি না তা হলেও কিন্তু ব্যাপারটা একই দাঁড়াচ্ছে। এর সঙ্গে আপনারা জানেন আইসিসি একটা গাইডলাইন দিয়েছে। কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রিকেট শুরু করা যায় এ নিয়ে একটা দিকনির্দেশনা দিয়েছে। গাইডলাইনের নিয়ম কতটা মানা যায় সেটাও কিন্তু আমাদের দেখতে হবে। আমরা এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’

বাংলাদেশ সব শেষ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে মার্চে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এর পর প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ শুরু হয়েছিল। তবে করোনার প্রকোপে প্রথম রাউন্ড শেষেই তা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে বিসিবি। বিসিবির সিইও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বুঝে ঘরোয়া পর্যায়ে যদি ক্রিকেট শুরু করা হয় তা হলে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ দিয়েই তা শুরু করা হবে। অবশ্য খেলা মাঠে গড়ানোর ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করা হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

advertisement