advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অন্তত ৬ মাস অর্ধেক বেতন কাটা হবে উইন্ডিজ ক্রিকেট দলের

স্পোর্টস ডেস্ক
৩০ মে ২০২০ ১৯:২৪ | আপডেট: ৩০ মে ২০২০ ১৯:৩৩
অর্ধেক বেতন পাবে উইন্ডিজ ক্রিকেট দল। পুরোনো ছবি
advertisement

নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেশ ভালোভাবেই পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনে। অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বিভিন্ন ধনী দেশের ক্রিকেট বোর্ডগুলো। এরমধ্যেই উইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ঘোষণা দিয়েছে অর্ধেক বেতন দেওয়ার। আজ শনিবার এক বিবৃতিতে বেতন কেটে অর্ধেক দেওয়ার তথ্য দিয়েছে উইন্ডিজ ক্রিকেট।

অন্তত তিন থেকে ছয় মাস এমনটা চলবে, যার শুরুটা হবে জুলাই মাস থেকে। করোনা প্রভাবে খেলাধুলা স্থগিত ও অদূর ভবিষ্যতে কবে পুনরায় বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়ার মতো খেলা মাঠে গড়াবে তার অনিশ্চয়তার কারণেই ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের এমন সিদ্ধান্ত।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ জানায়, ‘বর্তমানে বিশ্বের কোথাও কোনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা হচ্ছে না এবং নিয়মিত ক্রিকেট কার্যক্রম কখন আবার শুরু হবে তা নিয়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তা রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য খেলাধুলা সংস্থার মতো ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।’

কর্মীদের ভবিষ্যত চাকরির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ছাটাই না করে আপাতত বেতন কর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরিচালনা পর্ষদ গভীর অনুশোচনার সাথে এই পরিকল্পনায় একমত হয়েছে। আমরা আশা করবো এই অঞ্চলে ক্রিকেটের সাথে যুক্তদের অন্তত চাকরির সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।

ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান নির্বাহী জনি গ্রেভস বলেন, ‘এই মহামারির প্রভাব আমাদের সবার জন্যই বিরক্তিকর। আমাদের জীবদ্দশায় সবচেয়ে খারাপ সংকট এবং বর্তমান পরিস্থিতি কখন স্বাভাবিক হয় তার নিশ্চয়তাও নেই। আমরা স্বীকার করছি যে বেতন কর্তনের বিষয়টি আমাদের সমস্ত কর্মী, খেলোয়াড়, কোচ ও আম্পায়ারদের আর্থিকভাবে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। মার্চ থেকে আমরা সবাইকে পুরো বেতনই দিয়ে আসছি কিন্তু সামনের কয়েকমাসের জন্য এরকম (বেতন কর্তন) সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়া উপায় ছিলনা।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের মূল শক্তি হলো তার কর্মী, খেলোয়াড়েরা। অস্থায়ী এই বেতন কর্তনের মাধ্যমে আমরা এই প্রক্রিয়ায় জড়িত সবার চাকরির সুরক্ষা নিশ্চিত করা ও কঠিন সময় কাটিয়ে বোর্ডকে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হব বলে আশা রাখি। আমরা নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছি যেন সব কার্যক্রম আগের অবস্থানে দ্রুত ফিরিয়ে আনা যায়।’

advertisement