advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নতুন চ্যালেঞ্জের জীবন শুরু

লুৎফর রহমান কাকন
৩১ মে ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩১ মে ২০২০ ১১:০৯
advertisement

করোনা ভাইরাসের প্রকোপ রোধে দীর্ঘ ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটির পর আজ রবিবার থেকে খুলছে সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসকরারি অফিস। কিন্তু আজ থেকে যে জীবন শুরু হচ্ছে, তা বছরের পর বছর ধরে চলা আসা জীবনের মতো নয়। এখন প্রতিনিয়ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি। সেই ঝুঁকি নিয়ে নিজেকে জীবাণুমুক্ত রেখে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে কতটুকু প্রস্তুত আপনি?

এর উত্তরে বেশ উৎকণ্ঠা নিয়ে বেসরকারি মোবাইল কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আল মাহমুদ বললেন, জীবন ও জীবিকার মধ্যে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে; তাতে মানিয়ে চলতেই হবে। এটা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হলেও করোনাযুদ্ধের এই সংগ্রামে জয়ী হতে চান তিনি। তাই জীবনাচারে পরিবর্তন আনছেন তিনি।

আল মাহমুদ বললেন, দীর্ঘদিন ‘হোম অফিস’ করলেও এখন থেকে পুরোদমে অফিস শুরু হচ্ছে, তাই তার প্রস্তুতিটাও একেবারে ভিন্ন। অন্য সময়ের মতো ঘুম থেকে উঠে নাস্তা সেরে নিশ্চিন্তে অফিস যাত্রা করবেন- করোনা ভাইরাসের ‘যুগে’ সেই চিন্তা যেন বিলাসিতা! অফিস যাওয়া থেকে আবার বাড়ি ফেরা পর্যন্ত জীবানাচারে তাকে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। কীভাবে অফিসিয়াল কাজ করবেন, অহরহ মিটিং, দুপুরে খাবার, ল্যান্ডফোন কিংবা নিজের কম্পিউটার ব্যবহার এবং যে চেয়ারে বসে তিনি কাজ করেনÑ সব কিছুই ঘিরে বলা যায়, নতুন একটি জীবনে শুরু আজ থেকে।

কারওয়ানবাজারে বেসরকারি একটি কোম্পানিতে কাজ করেন নাজমুল হুদা রাজু। তিনি থাকেন কলাবাগান এলাকায়। সাধারণত, রিকশা কিংবা অ্যাপভিত্তিক মোটরসাইকেল চড়ে অফিসে যান। কিন্তু এখন যে রিকশায় চড়বেন, সেই চালক আক্রান্ত কিনা, কিংবা ওই রিকশায় এর আগে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি চড়েছেন কিনা এমন নানা সন্দেহ ঘিরে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। মোটরসাইকেল করে অফিস যাবেন, কিন্তু সেখানেও চিন্তা চালক আক্রান্ত কিনা? কারণ, আক্রান্তের বড় অংশ উপসর্গহীন।

আল মাহমুদ এবং রাজুর মতো সকল কর্মজীবীকে তার স্বাভাবিক জীবনে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে বাধ্য করছে করোনা ভাইরাস। বাংলাদেশের বৃহৎ শ্রেণির মধ্যে ক্ষুধানিবৃত্তির জন্য কাজের তাগিদটাই বেশি মানুষের। অর্থাৎ করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকলেও জীবিকা নির্বাহের চাকরিটা করতেই হবে। তাই জীবনাচারে ব্যাপক পরিবর্তন এনে সুস্থ থেকে জীবন চালানোই বড় চ্যালেঞ্জ।

শুধু চাকরিজীবী নয়; ব্যবসায়ী, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কিংবা শপিংমলের বিক্রেতা কিংবা ফুটপাতের হকার- সবাই যুগ যুগ ধরে চলে আসা জীবনের মতো চলতে পারবেন না। এখন প্রতিনিয়ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে তার নিত্যদিনের কার্যক্রমে ভিন্নতা আনতে হচ্ছে। চাইলে হঠাৎ করে পরিচিত কারও সঙ্গে দেখা হলে করমর্দন করতে পারবেন না। ঈদ শেষে প্রথম কর্মদিবসে সহকর্মীদের কোলাকুলির রেওয়াজ থাকবে না এমন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাস্ক পরাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হাত গ্লাভস, গগলস ও হেডক্যাপ পড়তে। বাড়ি ফিরে সাবান পানিতে গোসল করতে হবে। পোশাক ধুয়ে দিতে হবে। পোশাক না ধুয়ে কোনোভাবে ওই পোশাক আবার পরা যাবে না।

অবশ্য, বাংলাদেশে এমন সময় লকডাউন প্রত্যাহার করা হয়েছে, যখন হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকালও করোনায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিসংখ্যান মতে, চলতি সপ্তাহে সরকারি হিসেবে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন লকডাউন মেনে ঘরে বসে থাকা কঠিন। আবার করোনা থেকে বাঁচতে যেভাবে জীবন চালাতে হবে; সেভাবে চলাটা আরও কঠিন। তারপরও জীবন থেমে থাকে না। দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখতে হলে কঠিন বাস্তবতায় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তাই হয়তো সরকার সে পথে এগুচ্ছেন। তারা এও বলেন, অফিস-আদালত খুললেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টি সরকারকে মনিটর করতে হবে। অফিসগুলোকে নিজস্ব স্বাস্থ্যবিধি গড়ে তুলেন, সেটাও তদারকি করতে হবে।

ইতোমধ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রমও ভার্র্চুয়াল মিডিয়ানির্ভর হয়ে পড়ছে। সংবাদ সম্মেলনও হচ্ছে অ্যাপভিত্তিক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। একান্তে সভা করতে হলেও দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে। ব্যবসায়িক সভায় এখন আর করমর্দনের প্রথা নেই। করোনা ভাইরাস পৃথিবী থেকে বিতাড়িত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই ধরনের পরিবর্তনকে সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে মানুষকে।

ইতোমধ্যে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রবেশের আগে জীবাণুনাশক কক্ষে প্রবেশের মাধ্যমে জীবাণুমুক্তকরণ, শরীরের তাপমাত্রা মাপাসহ নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদের সময় শপিংমলগুলোতে একই ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে দেখা গেছে। তবে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি বাস্তবসম্মত নয়। কারণ, বাংলাদেশের মতো অধিক জনগোষ্ঠীর দেশে অসচেতন নাগরিকের সংখ্যাও কম নয়।

শর্তসাপেক্ষে সবকিছু খুলে দেওয়ার পর কীভাবে চলবে জীবনাচার, সে বিষয়ে ব্যবসায়ী, সাধারণ কর্মজীবী এবং উচ্চপদস্থ সরকারি ও বেরকারি কর্মকর্তাসহ অনেকের সঙ্গে আমাদের সময়ের আলাপ হয়। তাদের একজন গার্মেন্টস কোম্পানিতে কর্মরত এহতেশামুল হোসেন। তিনি বলেন, ‘লকডাউনের মধ্যে মাঝে মাঝে অফিস করলেও তা ছিল কয়েক ঘণ্টার জন্য। অফিস জব কম ছিল, রাস্তায় মানুষশূন্য। তাই কাজ শেষ করে তাড়াহুড়ো করে

বাসায় ফিরতাম। এখন তো আগের মতো ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা অফিস করতে হবে। অফিসের পরিবেশের ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে। সাধারণত দুপুরের বাইরে খাবার খেলেও এখন তা নিয়ে চিন্তা রয়েছে। কীভাবে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অফিস মিটিংÑ সবকিছু নিয়ে বাড়তি চিন্তা রয়েছে। ব্যক্তিগত ব্যবহারের গাড়ির ড্রাইভারও ভাইরাস বহনকারী ব্যক্তি কিনা তা নিয়ে চিন্তা থাকবে।’

তিনি বলেন, সাধারণত পকেটে ছোট হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখেন তিনি, যা দিয়ে কিছুক্ষণ পরপর হাত জীবাণুমুক্ত করেন। বাসায় গিয়ে সোজা বাথরুমে প্রবেশ করে গোসল সারেন। এভাবে নিজেকে করোনামুক্ত রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন আরও সতর্ক থাকবেন।

পলওয়েল শপিংমলের দোকানদার কামাল হোসেন বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সর্বোচ্চ সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও এ ধরনের পোশাক বিক্রির দোকানে শারীরিক দূরত্ব আসলে থাকে না। দোকানি হিসেবে আমার মনে হয়, এই ক্রেতা মনে হয় আক্রান্ত কিংবা দোকানের কর্মচারী করোনা ভাইরাস নিয়ে কাজ করছেন কিনা সেটিও নিজের অজান্তে মনে নানা ধরনের সন্দেহের জন্ম দেয়।

সরকার সীমিত আকারে গণপরিবহন চালানোর যে বিষয়টি বলছেন তাতে বাসের আসনের অর্ধেক যাত্রীবহন করতে হবে। কিন্তু একটি বাসে বিভিন্ন স্টপেজ থেকে অনেক যাত্রী উঠবেন। একই সিটে নানা শ্রেণি-পেশার লোক বসবেন। তাই তাদের মধ্যে কেউ আক্রান্ত ছিল না, কিংবা ওই আসনে জীবাণু লেগে আছে কিনা এবং পাশের সিটের যাত্রী কি জীবাণু ছড়াচ্ছেনÑ এমন নানা সন্দেহের সৃষ্টি করবে। এসব কিছুতে খাপ খেয়ে মানুষকে চলতে হবে।

এ বিষয়ে প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী আমাদের সময়কে বলেন, যখন করোনা সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী এবং চিকিৎিসা ব্যবস্থারও সংকট সেই মুহূর্তে লকডাউন তুলে দিয়ে গণপরিবহনসহ সব কিছু খুলে দেওয়া অগ্রহণযোগ্য, এটা অবাস্তব। বাংলাদেশে যে পরিবহন ব্যবস্থা তাতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে কিংবা জীবাণুমুক্ত থেকে চলাচল অনেকটাই অসম্ভব।

তিনি বলেন, তবুও করোনার সঙ্গে মানিয়ে জীবনযাপন করার জন্য মানুষকে নিজ উদ্যোগেই সচেতন থাকতে হবে। আমি বলব যাদের না বের হলেও চলে তারা একেবারেই বের হবেন না। কারও বাড়িতে বেড়াতে যাবেন না।

বাড়িতে দাওয়াত দিবেন না। বারবার হাত ধুতে হবে। হাত না ধুয়ে কোনোভাবেই নাকে মুখে চোখে হাত দেওয়া যাবে না। যারা বাইরে কাজে বের হবেন তারা সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি বা ইতোমধ্যে দেওয়া নিয়মাবলি মেনে ঘরে প্রবেশ করবেন।

তিনি বলেন বিশেষ করে অনেক অফিস আদালত যাদের কর্মী বেশি তারা চাইলে শিফট কাজের ব্যবস্থা করে কর্মীদের নিরাপদ রাখতে পারেন এবং কর্মীদের পরিবহন সুবিধা দিলেও কিছুটা নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি হবে। বিশেষ করে যারা ঘরের বাইরে বের হবেন তাদের মাস্ক, গ্লাভস অবশ্যই ব্যবহারের পরার্মশ দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে করোনার সঙ্গে মানিয়ে জীবনযাপন খুবই কঠিন। এ ছাড়া সাধারণ মানুষ যাদের ঘর থেকে না বেরুলেই নয় তাদের উদ্দেশ্য এ বিশেজ্ঞের পরার্মশ হলো অবশ্যই গ্লাভস, মাস্ক ব্যবহার করা এবং সুযোগ মতো বারবার হাত ধোয়া।

করোনা ভাইরাসের মহামারীতে পৃথিবীর প্রায় সব দেশ ক্রমান্বয়ে লকডাউন শিথিল করছে। এদের অধিকাংশ সংক্রমণ এখন নিম্নমুখী। অনেক দেশ কঠোরভাবে লকডাউন মেনে করোনামুক্ত হয়েছে। ইউরোপের দেশগুলোতে স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসছে।

বাংলাদেশে গত ২৬ মে থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে অঘোষিত লকডাউন করা হয়। তারপর কয়েক দফায় ছুটি বাড়ানো হলেও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ঈদের পর থেকে সবকিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সে মোতাবেক আজ থেকে ধীরে ধীরে ঢাকা তার চিরচেনা রূপে ফিরে যেতে শুরু করবে।

জনবহুল ঢাকার রাস্তায় হাঁটতে চলতে অপরের ঘা ঘেঁষে চলতে হয়। সেখানে তিন বা ছয় ফিট দূরত্ব বজায় রেখে কীভাবে চলবেন মানুষ। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক আমাদের সময়কে বলেন, রাস্তায় চলার সময় ৬ ফিট দূরত্ব রেখে নিজেকে চলতে হবে। কাছাকাছি হলে পায়ে হেঁটে অফিস যেতে হবে। হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলাটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি নিজের হাত পরিষ্কার রাখতে সাবান পানি কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, করোনাকালে সংগত কারণেই পুলিশের ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট এবং ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট কিছুটা ভিন্ন ছিল। এখন বাস্তবতা বিবেচনায় করোনার সঙ্গে আরও অনেকদিন করোনার সঙ্গে আমাদের সহাবস্থান করতে হতে পারে, এই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার জনস্বার্থে সিদ্ধান্ত নিয়েছে গণপরিবহন সীমিত আকারে চালু করার। পাশাপাশি সরকারি ছুটিও আর বাড়ানো

হয়নি। এর ফলে জনগণের চলাচল বাড়বে, রাস্তায় গণপরিবহন চলবে। এই বাস্তবতায় পুলিশকে নতুন করে ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট এবং ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট আরও বেগবান করতে হবে। একই সঙ্গে করোনা কন্ট্রোলের কার্যক্রম আমরা শুর থেকেই করছিলাম, সেটিও আমরা চলমান রাখব। তবে এই পরিস্থিতিতে মানুষের চলাচল যেহেতু বেড়ে যাবে এটি আমাদের জন্য অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, সাধারণ মানুষ এবং গণপরিবহন সরকারের যে স্বাস্থ্যবিধি রয়েছে এগুলো সবাই যেন যথাযথভাবে মেনে চলেন। আমাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি থাকবে না।

পহেলা বৈশাখের সময় দোকানপাট বন্ধ ছিল। তাই বৈশাখী বাজারে এবার ব্যবসা হয়নি। ঈদের বাজারও জমেনি সেভাবে। তারপরও মার্কেট খোলা ছিল। ঈদের পর আবার মার্কেটগুলো খুলতে শুরু করেছে। কীভাবে চলবে দোকানগুলো, সে বিষয়ে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন আমাদের সময়কে বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতা সবাইকে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান করতে হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনাবেচা করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছে, তারা যেন ভেজা বস্তায় জীবাণুনাশক ব্লিচিং পাউডার রাখে। যাতে করে ক্রেতাদের পায়ের জুতা জীবাণুনাশক হয়। এছাড়াও যদি কারও শরীরে সমস্যা দেখা দেয়, জ্বর অনুভব করে তা হলে মার্কেটে না আসার পরামর্শ দেন।

advertisement