advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আইসিইউ খালি নেই, সেই খোরশেদের স্ত্রীর জীবন সংকটে

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩১ মে ২০২০ ০১:১১ | আপডেট: ৩১ মে ২০২০ ০৩:১৩
স্ত্রী লুনার সঙ্গে কাউন্সিলর খোরশেদ
advertisement

আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে নারায়ণগঞ্জের মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের স্ত্রী লুনার জীবন। শ্বাসকষ্ট বাড়ার পাশাপাশি নিস্তেজ হয়ে গেছে তার শরীর। এই অবস্থায়ও পাওয়া যাচ্ছে না কোনো হাসপাতালের আইসিইউ।

দেশব্যপী করোনাভাইরাসের কারণে রোগী বাড়ায় আইসিইউগুলো পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় এই সঙ্কটে পড়েছেন কাউন্সিলর খোরশেদ।

গতকাল শনিবার রাতে এসব তথ্য জানিয়েছেন খোরশেদ নিজেই। গণমাধ্যমে তিনি জানান, তার স্ত্রী লুনার শ্বাসকষ্ট, অক্সিজেন লাগানো রয়েছে। রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি কাঁচপুর সাজেদা হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।

খোরশেদ বলেন, ‘আইসিইউ পেতে হয়ত সকাল হয়ে যাবে। বাঁচা মরা তো আল্লাহর হাতে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে আমার স্ত্রী আফরোজা খন্দকার লুনার শ্বাসকষ্ট বাড়ার পাশাপাশি পুরো শরীর নিস্তেজ হয়ে গেছে। বিশেষ করে আমার করোনা পজিটিভ হওয়ার খবরে আরও ভেঙ্গে পড়েছে সে।’

তিনি আরও জানান, শনিবার বিকালে লুনার অবস্থার অবনতি হলে তিনি আইসিইউর ব্যবস্থা করতে শুরু করেন। কিন্তু পাননি। নারায়ণগঞ্জ এবং ঢাকায়ও আইসিইউ পাননি। নারায়ণগঞ্জে শুধু সাজেদা হাসপাতালে চারটি আইসিইউ বেড আছে, তবে সেগুলোতে রোগী ভর্তি। অন্য কোথাও নেই।

নিজের করোনা পরীক্ষার প্রতিবেদন সম্পর্কে খোরশেদ বলেন, ‘আমি রিপোর্ট পেয়েছি শনিবার। আমার দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।’

এর আগে কাউন্সিলর খোরশেদের স্ত্রী করোনা পজিটিভি শনাক্ত হন। এরপর থেকে তিনি নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে ছিলেন।

করোনা মহামারিতে জীবনবাজি রেখে একের পর এক ৬১ লাশ দাফন করেছেন কাউন্সিলর খোরশেদ। এ ব্যপারে তিনি বলেন, ‘নিজ বাড়িতেই আইসোলেশনে চলে গেছি। আমি নিজে চিকিৎসা নেব বাড়িতে থেকে। তবে আমার সকল কার্যক্রম চলবে। আমার টিম সক্রিয় থাকবে। আমার ফোন চালু থাকবে। আমি যতদিন বেঁচে আছি এক বিন্দুও নড়ব না।’

advertisement