advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিশিষ্টজনদের মন্তব্য
গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি করা ঠিক হয়নি

২ জুন ২০২০ ০৩:১৬
আপডেট: ২ জুন ২০২০ ০৩:১৬
advertisement

করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে দেশে সীমিত আকারে গণপরিবহন চালুর সুযোগ দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কম যাত্রী পরিবহনের শর্তে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে ৬০ শতাংশ। সাধারণ মানুষ শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে এলেও ইতোমধ্যে বর্ধিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে বেশিরভাগ গণপরিবহন স্বাস্থ্যবিধি তথা অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের নির্দেশনা মানছে না। তবে বর্ধিত ভাড়া আদায় করছেন। করোনা মহামারীর মধ্যে সাধারণ মানুষের পরিবহনে এমন ভাড়া বৃদ্ধিকে অযৌক্তিক বলে মনে করছেন পরিবহন সেবা নিয়ে কাজ করা বিশিষ্টজনেরা। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এএমএম
শফিউল্লাহ আমাদের সময়কে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে গণপরিবহনে ভাড়া বাড়োনো ঠিক হয়নি। এ সময়ে গণপরিবহন চালাতে গেলে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এটার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অ্যাডভানটেজ নেওয়া ঠিক হবে না।
নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, যাত্রীদের ভাড়া বৃদ্ধি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কারণ এ ভাড়াটা দেবে সাধারণ মানুষ। তাদের কাছে এখন তেমন টাকা নেই। টাকা কোথায় পাবে। আরেকটি বিষয় হলোÑ ভাড়া বাড়ানোর তো প্রয়োজন ছিল না। সারাবিশ্বে তেলের দাম কম। এখন তেলের দাম কমালে, সঙ্গে চাঁদা বন্ধ করলেই হয়। তা হলে তো ভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজন হয় না। স্বাস্থ্যবিধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোথায় স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে? পরিবহন শ্রমিকরা তো দেশের বাইরে থেকে আসেনি। বিষয়টা সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদাবি করতে হবে।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, বাস্তবতার নিরিখে বাড়া নির্ধারণ হয়নি। এ ভাড়া বৃদ্ধি অযৌক্তিক গণবিরোধী। তিনি বলেন, প্রথম দিনে কিছু বাসে স্বাস্থ্যবিধি মানার চেষ্টা করা হয়েছে তবে সেটা পুরোপুরি হয়নি। তাদের আগে থেকে প্রশিক্ষণ দেওয়া দরকার ছিল। এ বিষয়ে যদি তারা আন্তরিক হয় এবং শতভাগ চেষ্টা করে তবেই সংক্রমণ রোধ করা যাবে। মোজাম্মেল হক আরও বলেন, সরকার চাইলে এখনো সম্ভব। কঠোর না হলে কয়েকদিন পর আবার আগের মতো যাত্রী পরিবহন করবে কিন্তু ভাড়া কমাবে না। ভাড়া বেশিই নেবে, যা গণবিরোধী।

advertisement