advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অনুশীলন নিয়ে ভারতের পরিকল্পনা

ধীক্রীড়া ডেস্ক
৪ জুন ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৪ জুন ২০২০ ০১:৫৯
advertisement

ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের সূচি চূড়ান্ত হয়েছে মঙ্গলবার। অনুশীলনে ফিরেছে ইংলিশরা। জুলাইয়ের ৮ তারিখ থেকে ইংল্যান্ডে শুরু হবে এই সিরিজ। অনুশীলনে ফিরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলংকা। ভারতে এখনো চলছে লকডাউন। করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে কবে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা মাঠে ফিরতে পারবেন তা নিশ্চিত নয়। তবে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট কোহলিদের মাঠে ফেরানোর পরিকল্পনা তৈরি করেছে।

তবে তা অবশ্যই খেলোয়াড়দের পূর্ণ স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও করোনাকালীন আইন নিশ্চিত করেই। বিসিসিআইয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘তখনই আমরা খেলোয়াড়দের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাব, যখন ১০০ ভাগ নিশ্চিত হতে পারব। অনুশীলনের জন্য এনসিএর সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা অন্য বিকল্প ব্যবস্থার দিকেও নজর রাখছি। বিভিন্ন রাজ্যের নিয়মের দিকেও আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।’

তবে এখনই হুট করে কিছু করতে চায় না বিসিসিআই। জুনের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চায় তারা। বিসিসিআইয়ের একই সূত্র জানিয়েছে বিষয়টি, ‘জুন মাস শেষ হতে না হতেই কোনো রাস্তা বের করে ফেলব আমরা। ক্রিকেটাররা মাঠে ফেরার জন্য অপেক্ষা করছে। অনেক দিন হয়ে গেছে খেলা বন্ধ রয়েছে। এখন একটা শক্তপোক্ত পরিকল্পনা করার কথা ভাবছি।’

ভারতের ফিল্ডিং কোচ রামাকৃষ্ণান শ্রীধর জানালেন, একসঙ্গে অনুশীলন ফিরবে টিম ইন্ডিয়া। তবে চার ধাপে শুরু হবে তাদের অনুশীলন। দীর্ঘদিন পর মাঠে ফিরে পরিকল্পনামাফিক কাজ না করলে ইনজুরিতে পড়ার সম্ভাবনা থাকবে। এ জন্য ক্রিকেটারদের পাশাপাশি টিম ম্যানেজমেন্টকেও সতর্ক থাকতে হবে।

ভারতের ফিল্ডিং কোচ বলেছেন, ‘প্রথম ধাপে কম পরিমাণে কাজ শুরু হবে। এর পর মাঝারি পরিমাণে কাজ হবে। তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপ থেকে শুরু হবে আসল অনুশীলন। সেই সময়ে সর্বোচ্চ পরিমাণে খাটতে হবে ক্রিকেটারদের। সেটাই হবে মাঠে ফেরার আসল প্রস্তুতি।’

শ্রীধার মনে করেন, মাঠে ফেরার জন্য ৪-৬ সপ্তাহ ট্রেনিং করতে হবে। নয়তো ম্যাচ ফিটনেস পাবেন না ক্রিকেটাররা। তার ভাষ্য, ‘আমি মনে করি ৪-৬ সপ্তাহ পেলে ক্রিকেটাররা ম্যাচ ফিটনেস পেয়ে যাবে। দ্রুতগতির বোলারদের প্রয়োজন ৬ সপ্তাহ। হয়তো ব্যাটসম্যানদের একটু কম সময় লাগবে। মাঠে ফেরার তারিখ চূড়ান্ত হলে আমাদের এ প্রক্রিয়া শুরু হবে। ১৪ থেকে ১৫ সপ্তাহ পর মাঠে ফিরে ক্রিকেটারদের জন্য কাজটা কঠিন হবে। তবে আমি বিশ্বাস করি ওরা মানিয়ে নিতে পারবে।’

কীভাবে কাজ হতে পারে সেই সম্পর্কে ধারণাও দিয়েছেন শ্রীধর। তার মতে, ‘দ্রুতগতির বোলাররা অর্ধেক কিংবা কোয়ার্টার রানআপে বোলিং করতে পারবে শুরুতে। ২০ থেকে ৩০ ভাগ দিয়ে বোলিং করতে হবে শুরুতে। ফিল্ডিংয়ে যারা থাকবে তারা ১০ মিটারের থ্রো করবে ছয়টি, ২০ মিটারের থ্রো করবে ৬টি এবং তাদের ৪০ থেকে ৫০ ভাগ তীক্ষèতা থাকলেই হবে। ব্যাটসম্যানরা শুরুতে ৫-৬ মিনিট স্পিন বোলারদের খেলবে। এর পর ধীরে ধীরে গতিময় বোলারদের খেলা শুরু করবে। প্রত্যেকটি কাজ হতে হবে ধীর স্থির। তাড়াহুড়া করার কোনো সুযোগ নেই।’

advertisement