advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

এমনিতেই সুইং করবে ডিউকের বল

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৪ জুন ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৪ জুন ২০২০ ০১:৫৯
advertisement

করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াজ্ঞনেও। নতুন নতুন নিয়ম বের হচ্ছে। ইতোমধ্যে স্বাস্থ্যবিধিসংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে আইসিসি। করোনা-উত্তর মাঠে গড়াবে ক্রিকেট। কিন্তু মাঠের অনেক নিয়মই হয়তো আর দেখা যাবে না। এখন থেকে পেসাররা আর বলে থুতু কিংবা লালার ব্যবহার করতে পারবে না। আইসিসি এরই মধ্যে এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বিকল্প কী ব্যবহার করা যাবে কিংবা বলের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য বিকল্প চিন্তা কীÑ এসবই এখন ক্রিকেট দুনিয়ার আলোচনার বিষয়। এমন সময় ডিউক দাবি করছে, তারা এমন এক উঁচুমানের বল তৈরি করছে, যেটাকে কিছু দিয়েই ঘষতে হবে না। সেটা এমনিতেই সুইং করবে।

ক্রিকেট দুনিয়ায় কোকাবুরা কিংবা ভারতের এসজির চেয়েও বেশ পুরনো ডিউক। তবে কোকাবুরা মার্কেট দখল করায় ডিউকের কদর কমে যায়। করোনা ভাইরাস-উত্তর ভারতীয় এসজি কোম্পানি সেই মার্কেটে চড়ে বসার চেষ্টা করছে। গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডিউকের মালিক দিলির জাজোদিয়া বলেন, ‘আপনাকে অবশ্যই ব্যাট এবং বলের ব্যালেন্স তৈরি করতে হবে। না হলে খেলাটা হয়ে যাবে বিরক্তিকর। আমরা এ বিষয়টা জানি। কিন্তু এটাও ঠিক নয় যে, বলের একপাশ উজ্জ্বল, অন্যপাশ রাফ থেকে গেলেই সুইং তৈরি হবে। এটা আসলে বলের কোয়ালিটির ওপর নির্ভর করে। আমরা এমন এক উঁচু মানের বল তৈরি করি, যেটাতে আপনি পাবেন খুব ভালো শেপ, শক্তিশালী সিম, যেটা বাতাসে রাডারের কাজ করবে। কারণ এই সিমটা হচ্ছে হাতের সেলাই। এমনকি এই বলটি হবে খুবই শক্তিশালী ও দীর্ঘদিন খেলার জন্য উপযুক্ত। ডিউক বলের গুণ হচ্ছে, আপনি কপালের ঘাম দিয়েও হালকা ঘষা দিলে এর উজ্জ্বলতা ফিরে পাবেন। এ ছাড়া এমনিতেই বলটিতে সব সময় উজ্জ্বলতা বিরাজ করবে, যেটার কারণে বলে সুইংও হবে বেশি।’ এদিকে এরই মধ্যে কোকাবুরা দাবি করেছে, তারা এক ধরনের বল মার্কেটে আনতে চায়, যেটাকে মোম দিয়ে ঘষে উজ্জ্বলতা বাড়ানো যাবে।

advertisement