advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনাকালে যে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ

দ্য গার্ডিয়ানে প্রধানমন্ত্রীর যৌথ নিবন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৫ জুন ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৫ জুন ২০২০ ০০:১৪
advertisement

বাংলাদেশ একই সঙ্গে দুটো মহাবিপদের সঙ্গে লড়াই করেছে : ঘূর্ণিঝড় ও কোভিড-১৯। এই অভিজ্ঞতা নিয়ে যৌথভাবে একটি নিবন্ধ লিখেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রখ্যাত ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে ৩ জুন প্রকাশিত নিবন্ধটিতে তারা মন্তব্য করেছেন, ‘এই ধরনের বিপদের মুখোমুখি দেশগুলোকে আমরা কিছু পথ দেখাতে পারি।’

গণমাধ্যমটির বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন সমর্থিত গ্লোবাল ডেভেলপমেন্টস বিভাগে লেখাটি প্রকাশিত হয়। এ নিবন্ধে শেখ হাসিনার সহলেখক প্যাট্রিক ভেরকুইজন, যিনি গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপ্টেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। লেখাটির শিরোনাম ছিল, ‘ফাইটিং সাইক্লোনস অ্যান্ড করোনা ভাইরাস : হাউ উই ইভাকুয়েটেড মিলিয়নস ডিউরিং আ প্যানডেমিক’।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কথা উল্লেখ করে হাসিনা ও ভেরকুইজন লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো কিন্তু সামাজিক বিচ্ছিন্নতার কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়নি। তাই এই ঘূর্ণিঝড়ের ভয়ানক ছোবলের চেয়েও ভয়ানক

কোভিড ১৯-এর ভয়াবহতার মুখে না ঠেলে ২৪ লাখ মানুষকে সরানোর বিষয়টি একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।’

কেউ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চাচ্ছিল না, এ চিত্র তুলে ধরে তারা লিখেছেন, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের নিশ্চিত করতে হয়েছিল যে বাড়ি ছাড়ার ফলে তাদের সংক্রমণ বাড়বে না।’

নিবন্ধে বলা হয়, আগে যেখানে হাজার চারেক আশ্রয়কেন্দ্র ছিল, কয়েকদিনের মধ্যেই বাড়তি প্রায় ১০ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র বানানো হয়। দুর্যোগ প্রস্তুতির কাজে ৭০ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবী কাজ করেছেন।

হাসিনা ও ভেরকুইজন বলেছেন, ‘করোনা মহামারীর চরম অবস্থায় আম্পানের মতো ঘূর্ণিঝড়ের আসাটা জলবায়ু ও স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রাকৃতিক আন্তঃসম্পর্কের বিষয়টিকে সবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল যেন।’

তারা লিখেছেন, ‘বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ সরকারি অর্থায়নের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করেছে। কিন্তু আমরা মনে করি, দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক কাঠামো এবং জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা এসব দেশের জন্য বিপদ কাটাতে সহায়তা করবে।’

নিবন্ধে বলা হয়, ‘এ বছর স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে যুগপৎ?ভাবে লড়াই করা দেশ সম্ভবত বাংলাদেশ একাই নয়। আর এ অবস্থা থেকে উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা একান্তভাবে দরকার।’

নিবন্ধের শেষে হাসিনা ও ভেরকুইজন মন্তব্য টেনেছেন, ‘এই সহযোগিতার ফলে আমরা একে অন্যের সাফল্য থেকে শিখতে ও সহায়তা করতে পারব।’

advertisement