advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জেলায় বসেই অনুদানের চেক পাবেন কর্মকর্তা কর্মচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ জুন ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৫ জুন ২০২০ ০০:১৪
advertisement

বেসামরিক প্রশাসনে চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী ও দুর্ঘটনায় আহত হয়ে স্থায়ীভাবে অক্ষম জেলা পর্যায়ে বসবাসকারী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুদানের চেক ডাকযোগে (জিইপি সার্ভিস) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া জেলা পর্যায়ের অনুদানের আবেদনও বাহকের মাধ্যমে না পাঠিয়ে তা ডাকযোগে পাঠাতে হবে। করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে গত বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সব জেলা প্রশাসককে (ডিসি) পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে চিঠিটি প্রকাশ করা হয়েছে। আগে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে

অনুদানের এই চেক গ্রহণ করতেন।

ডিসিদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ‘বেসামরিক প্রশাসনে চাকরিরত অবস্থায় কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী মৃত্যুবরণ এবং গুরুতর আহত হয়ে স্থায়ী অক্ষমতাজনিত কারণে আর্থিক অনুদান প্রদান নীতিমালা, ২০১৩’ অনুযায়ী ইতোপূর্বে জেলাপর্যায়ের আর্থিক অনুদানের চেক সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে পাঠানোর নিয়ম প্রচলিত ছিল। এই মুহূর্তে বৈশ্বিক করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাবের কারণে সচিবালয়ে বহিরাগতদের প্রবেশ, মাঠ প্রশাসন ও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কাজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ বিধায় জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে বিতরণযোগ্য চেকগুলো বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মাধ্যমে (জিইপি সার্ভিস) সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া জেলা পর্যায়ের বিবেচনাযোগ্য অনুদান সংক্রান্ত আবেদন বাহক মারফত না পাঠিয়ে সরাসরি কল্যাণ শাখায় বাংলাদেশ ডাক বিভাগের (জিইপি সার্ভিস) মাধ্যমে পাঠানো সমীচীন হবে।

এ অবস্থায় বেসামরিক প্রশাসনে চাকরিরত অবস্থায় কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মৃত্যুবরণ এবং গুরুতর আহত হয়ে স্থায়ী অক্ষমতাজনিত কারণে আর্থিক অনুদান প্রদান নীতিমালা, ২০১৩ অনুযায়ী অনুদান প্রদানের চেক বাংলাদেশ ডাক বিভাগের (জিইপি সার্ভিস) মাধ্যমে পাঠানো হবে বিধায় গ্রহণের জন্য প্রতিনিধি না পাঠানোর অনুরোধ করা হলো।

জেলা পর্যায়ের বিবেচনাযোগ্য অনুদানের আবেদন বাহকের মাধ্যমে না পাঠিয়ে তা সরাসরি কল্যাণ শাখায় বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মাধ্যমে পাঠানোর জন্য ডিসিদের অনুরোধও জানানো হয় চিঠিতে।ৃ

advertisement