advertisement
advertisement

নিরপেক্ষ ভেন্যুতে এএফসি কাপ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৬ জুন ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৫ জুন ২০২০ ২২:৩০
advertisement

এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এএফসি) কাপের বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে। করোনা ভাইরাসের কারণে এএফসি কাপের ম্যাচগুলোর খেলা মাঠে গড়ায়নি। এ ম্যাচগুলো কীভাবে সম্পন্ন করা যায়, এ ব্যাপারে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ক্লাব প্রতিনিধি এবং ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে গতকাল অনলাইন মিটিংয়ে বসেছিল এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। সেখানে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ম্যাচ খেলতে চায় ক্লাবগুলো। এএফসির সভা শেষে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, এএফসি কাপে দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশ বাংলাদেশ, ভারত ও মালদ্বীপের ক্লাব রয়েছে। এই তিন দেশের ক্লাবগুলো ও ফেডারেশনের সঙ্গে বাকি ম্যাচগুলো নিয়ে আলোচনা করেছে এএফসি। সভায় সব ক্লাবই একটা বিষয় স্বীকার করেছে এএফসি কাপের ফরম্যাট হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে অনুযায়ী এখন বিভিন্ন দেশে যাতায়াত করে খেলা সম্ভব নয়। তাই ম্যাচ না কমিয়ে এবং হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ফরম্যাট ঠিক রেখে যে কোনো একটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলাগুলো আয়োজন করা। সোহাগ আরও জানান, এএফসি প্রস্তাব দিয়েছিল নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলা আয়োজন করার। এমন প্রস্তাবে একমত হয়েছে ক্লাবগুলো। ম্যাচগুলো সম্পন্ন করা খুবই জরুরি। নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে মালয়েশিয়াতে বেশি ম্যাচ হতে পারে। আবু নাইম বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে পরিষ্কার বলে দেওয়া হয়েছে ভারতে গিয়ে সব ম্যাচ খেলবে না বসুন্ধরা কিংস। কারণ সেখানে ভিসা নিয়ে একটা সমস্যা তৈরি হয়। বিশেষ করে আগে বিদেশি ফুটবলারদের ভিসা নিয়ে অনেক ঝামেলা পড়েছিল বাংলাদেশের ক্লাবগুলো। তা ছাড়া করোনা ভাইরাস বিবেচনা করলেও ভারতে খেলার সম্ভাবনা নেই। হতে পারে অন্য কোন দেশ। এমন কি মালয়েশিয়ার কোন স্টেডিয়ামেও হতে পারে এএফসি কাপের বাকি ম্যাচগুলো।’ ক্লাবগুলো তাদের ফুটবলারদের চুক্তির বিষয়ে বলেছিল। কারণ বিদেশি অনেকে খেলোয়াড়ের সঙ্গে চুক্তিও শেষ হয়েছে কয়েকটি ক্লাবের। এ বিষয়ে এএফসি বাকি ম্যাচ শুরুর আগে ট্রান্সফার উইন্ডোর ব্যবস্থা করবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। এ সভার আলোচনা পর্যালোচনা করে আগামী সর্বোচ্চ ৩ সপ্তাহের মধ্যে একটা সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে এএফসি। কারণ ২০২০ সালের এএফসি কাপ তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করতে চায়। আবু নাইম সোহাগ জানান, এ ব্যাপারে ১৫ দিনের মধ্যেই হয়তো এএফসির একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন পাওয়া যাবে। কেননা এএফসি আগামী সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসে গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচগুলো বাকি রয়েছে সেগুলো কীভাবে শেষ করা যায়। এর পর অন্য আরও ম্যাচ বাকি থাকবে পরবর্তী পর্যায়ের। এএফসির চিন্তা হচ্ছে ২০২০ সালের এএফসি কাপ এই সালের মধ্যেই শেষ করা নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার অনুযায়ী। এএফসি কাপের পরবর্তী খেলাগুলোর আগে আরেকটি উইন্ডো খুলে দেওয়া হবে, যাতে প্লেয়ার রেজিস্ট্রেশনের যে বিষয়গুলো রয়েছে টিমগুলো যেন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারে।

advertisement