advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

২৪ ঘণ্টায় বজ্রপাতে মৃত্যু ১৪ জনের

আমাদের সময় ডেস্ক
৬ জুন ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ জুন ২০২০ ০২:২৭
advertisement

গত ২৪ ঘণ্টায় ঝড় ও বৃষ্টিপাতের সঙ্গে বজ্রপাত হলে কলেজছাত্র, তিন নারী ও কৃষকসহ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে পাবনায় ৬, টাঙ্গাইলে ৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২, নাটোরের গুরুদাসপুর ও ধামরাইয়ে (ঢাকা) একজন করে মারা যান। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরÑ

পাবনা : গতকাল বিকালে এবং বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সাঁথিয়ায় গতকাল বেলা ৩টার দিকে রুবিয়া খাতুন পার্শ্ববর্তী মাঠে মরিচ তুলতে যান। এ সময় বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া শুরুর সাথে বজ্রপাত ঘটে। এতে রুবিয়া ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। এ সময় তার সাথে থাকা আরও দুইজন গুরুতর দগ্ধ হন। তিনি উপজেলা ধুলাউড়ি গ্রামের আফছারের স্ত্রী। একই বিকালে সুজানগর উপজেলার রাইশিমুল গ্রামের স¤্রাট (১৫) বৃষ্টিপাতের সময় আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যায়। এ ছাড়া গত বৃহস্পতিবার বজ্রপাতে মারা যান সদর উপজেলার আতাইকুলা তেলিগ্রামের কলেজছাত্র মনিরুজ্জামান মনি। আটঘড়িয়ার চাঁদভা চকপাড়া গ্রামের আবুল হাশেম ও তার হৃদয় (৭) দগ্ধ হয়। সুজানগর উপজেলার শানিতপুর দুলাই গ্রামের জলিল আলী সরদার, চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল কান্নিগ্রামের শরিফুল ইসলাম মারা যান।

টাঙ্গাইল : দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের নান্দুরিয়া গ্রামে গত বৃহস্পতিবার বিকালে বজ্রপাতে এক ধানকাটা অজ্ঞাত শ্রমিক মারা গেছেন। তিনি উত্তরবঙ্গ থেকে ধান কাটতে দেলদুয়ারে এসেছিলেন। একই সময় বিকালে ঘাটাইল উপজেলার সাধুর গলগন্ডা গ্রামে সখিনা বেগম নামে এক নারী ঝড়-বৃষ্টিপাতের মধ্যে গরু আনতে মাঠে যান। বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। সখিনা ওই গ্রামের কুদরত আলীর স্ত্রী। এছাড়া বুধবার সন্ধ্যায় ঘাটাইলের আনেহলা ইউনিয়নের বগাজান গ্রামের ধানক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে জালাল মিয়া নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। তিনি ওই গ্রামের রোস্তম আলীর ছেলে। অন্যদিকে সন্ধ্যায় নাগরপুর উপজেলার কোকাদাইর গ্রামে বৃষ্টিপাতের মধ্যে নাসির ধান দেখতে ক্ষেতে যান। সেখান থেকে বাসায় ফেরার পথে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। নিহত ওই গ্রামের করিম মিয়ার ছেলে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ : গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বৃষ্টিপাতের সময় শহিদুল ইসলাম নামে এক কৃষক সদর ুউপজেলার চরঅনুপনগর এলাকার একটি মাঠ থেকে ঘাস কেটে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ সময় আদরি নামে আরও এক নারী দগ্ধ হন। তিনি সদর উপজেলার অনুপনগর ইউনিয়নের বাইরালপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন জানান, নিহতের পরিবারকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে এবং আরও অর্থ প্রদান করা হবে। এ সময় বজ্রপাত হলে বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা পাপিয়া বেগম জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনিও মারা যান। তিনি উপজেলার পাকা ইউনিয়নের চরপাকা গ্রামের হেরাস উদ্দিনের স্ত্রী।

গুরুদাসপুর : নাটোরের গুরুদাসপুরে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে বজ্রপাতে মকবুল হোসেনের মৃত্যু হয়। এ সময় দগ্ধ হন তার শ্যালক সজিব ও নিরলা নামে এক গৃহবধূ। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার দাঁদুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের বিলকাঠর গ্রামের মৃত সেকেন আলীর ছেলে।

ধামরাই : ঢাকার ধামরাইয়ের আমতা ইউনিয়নের বাউখন্ড এলাকায় বিকালে বাড়ির পাশের একটি ধান কাটা ফাঁকা জমিতে ঘুড়ি ওড়াচ্ছিল মো.জয়নাল। এসময় বৃষ্টিপাতের সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। এতে বজ্রপাতের শিকার হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

 

 

advertisement