advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শিল্পের সম্মান আর শিল্পীদের বাঁচাতে এক হলেন শিল্পীরা

বিনোদন প্রতিবেদক
২৫ জুন ২০২০ ১৩:০৮ | আপডেট: ২৫ জুন ২০২০ ১৩:১৯
শিল্পের সম্মান আর শিল্পীদের বাঁচাতে এক হলেন শিল্পীরা। পুরোনো ছবি
advertisement

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে থমকে গেছে পুরো পৃথিবী। সারা বিশ্বের মতো এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। কাজহীন হয়ে পড়েছেন দেশের মানুষজন। বিপাকে পড়েছেন সব শ্রেণিপেশার মানুষজন। করোনার ছোবল পড়েছে সংগীতাঙ্গনেও। আর্থিক দৈন্যতায় দিন কাটাচ্ছে অসংখ্য যন্ত্রশিল্পী, কণ্ঠশিল্পী, গীতিকারসহ সংশ্লিষ্ট অনেকে।

এ থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় এবার এক হয়েছেন দেশের শতাধিক সংগীতশিল্পী। এটাকে নিজেদের প্রাপ্য অধিকার আদায় কিংবা বাঁচার লড়াই হিসেবে দেখছেন এই শিল্পীরা। তাদের ভাষ্য, ঘরবন্দি এই সময়ে ফেসবুক-ইউটিউব হয়ে ওয়েবের বিভিন্ন মাধ্যমে যেভাবে ‘ফ্রি কালচার’ চলছে, সেভাবে আর চলা সম্ভব নয়।

এই অন্ধকার কাটাবার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রজন্মের সংগীতশিল্পীরা এক হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ‘আর কোনও ফ্রি অনুষ্ঠান নয়।’ তারই প্রতিধ্বনি মিলেছে বিভিন্ন শিল্পীর ফেসবুক স্ট্যাটাসে। ‘শিল্পের সম্মানে- শিল্পীদের বাঁচান’ এমন স্লোগান নিয়ে তাদের বিবৃতিটি দৈনিক আমাদের সময় অনলাইন’র পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

করোনার ছোবলে এক ভয়াবহ দুঃসময়ের মুখোমুখি আমরা। আর তাই এখন সকল কণ্ঠশিল্পী, যন্ত্রশিল্পী, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক এবং সংগীত সংশ্লিষ্টগণ একত্র হওয়ার সময়।

পরিচ্ছন্ন গান প্রাণে আশার আলো সঞ্চার করে। গানের ভূমিকা এবং শক্তি অপরিসীম। সেই গানকে আমরা যারা ভালোলাগা-ভালোবাসা আর পেশা হিসেবে নিয়ে নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যাচ্ছিলাম, তারা বর্তমানে এক কঠিন দুঃসময়ের মধ্যে আছি। দর্শক শ্রোতাই শিল্পের শক্তি কিন্তু করোনার ছোবলে সামাজিক দূরত্ব রক্ষার্থে তা আজ অসম্ভব। লোকসমাগম এবং সংগীতের পরিবেশ ফিরে পাওয়া আজ অনিশ্চিত সময়ের মধ্যে আটকে গেছে।

উন্নত দেশের সংগীত সংশ্লিষ্টরা যখন ঘরে বসেই প্রযুক্তির মাধ্যমে উপার্জন করছেন, তখন নানা জটিলতায় আমরা এই উপার্জন থেকেও অনেক দূরে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে টেলিভিশন বা অন্যান্য মাধ্যমে স্পন্সর নিয়ে যারা নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠান করার চেষ্টা করছেন, তাদেরকে ধন্যবাদ।

তবে ইদানিং আমরা দেখছি, সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্নভাবে যেমন-ফেসবুক, জুম, স্ট্রিমইয়ার্ড বা নানা মাধ্যমে লাইভ টকশো কিংবা মিউজিক্যাল অনুষ্ঠান ধীরে ধীরে বেড়েই চলছে- যা প্রশংসনীয় কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সে আয়োজনের সম্মানী থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সকল সংগীতযোদ্ধারা। অনেকের অপেশাদার কর্মকান্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ভবিষ্যৎ শিল্প ও শিল্পীর পেশাগত জায়গা।

তাই বর্তমান এই সংকটময় অবস্থায় শিল্পী সম্মান ও এই শিল্প বাঁচানোর প্রেক্ষিতে আমরা এক হয়েছি। ভবিষ্যতে এ শিল্প বেঁচে থাকে সেই স্বার্থে আমরা (নিম্নে উল্লেখিত নামের শিল্পীগন) সম্মানি ছাড়া কোন অনলাইন আয়োজনের লাইভে অংশগ্রহণ করবো না বলে অঙ্গীকারবদ্ধ।

আমাদের পেশাকে বাঁচিয়ে রাখতে সকল আয়োজকদের আন্তরিকতা কামনা করছি। আমরা সকলের পাশে আছি-থাকবো, আপনারাও আমাদের পাশে থাকুন। যে সকল শিল্পীরা স্ব-ইচ্ছায় এই উদ্দোগে আমাদের সঙ্গে থাকতে চান তারা স্বাগত।

এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত জানানো শিল্পীরা হলেন-

রফিকুল আলম, আবিদা সুলতানা, তপন চৌধুরী, লিনু বিল্লাহ, এস আই টুটুল, দিনাত জাহান মুন্নী, ফরিদ আহমেদ, বাদশা বুলবুল, মুহিন খান, পারভেজ সাজ্জাদ, ইবরার টিপু, সাব্বির জামান, রোমানা ইসলাম, সালমা আক্তার, নিশীতা বড়ুয়া, আলম আরা মিনু, শেখ জসীম, প্রতীক হাসান, কিশোর দাস, পুলক অধিকারী, সাজিয়া সুলতানা পুতুল, গামছা পলাশ, নোলক বাবু, সাবরিনা সুলতানা বাঁধন, ঝিলিক, অনিমা রায়, অপু আনাম, রাশেদ, মোল্লা বাবু, টুটুল, সানিয়া সুলতানা লিজা, লুইপা, পিন্টু ঘোষ, সুকন্যা, আতিক, পরান, শেফালী, মেহরাব, রন্টি, নওরীন, বিউটি, রাজিব, দিঠি আনোয়ার, হুমায়রা, অদিতি আর্শি, মাহাদী, লায়লা, সোহাগ, খালেদ মুন্না, স্বীকৃতি, বেলাল খান, বিন্দু কনা, আশিক, বৃষ্টি, হৈমন্তী রক্ষিত, মৌসুমি মৌ, নাজু আখন্দ, সুজন আরিফ, হানিফ, দীপু আসলাম, অমিত, পৃথিল, অবন্তী সিথি, শিশির, প্রিয়াঙ্কা বিশ্বাস, স্মরণ, এম আই মিঠু, নাদিম ভূইয়া, শান সায়েখ, চম্পা বনিক, রেশমী মির্জা, কর্নিয়া, মাসুম, মাহববুর রহমান সবুজ, তানজিনা রুমা, অনুপমা মুক্তি, সুমি মির্জা, বেলি আফরোজ, মুন, নির্ঝর চৌধূরী, সায়নী, রাজা বশীর, লেমিস, সুস্মিতা, মম, মুনির বাউলা, জুয়েল মোর্শেদ, আর্নিক, প্রমিত, আজমীর বাবু, পলাশ চক্রবর্তী, পল, নয়ন, রতন, কিসলু, ঐশী, মানিক, তানবীর দাউদ রনি, মমিন বিশ্বাস, স্বন্দিপন, জাহিদ, শফিক তুহিন, খায়রুল ওয়াসী, আহমেদ হুমায়ুন, রাজন সাহা।

advertisement