advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনাকালের বাজেটে নতুন চিন্তা ও সংস্কারের খোঁজে

ড. কাজল রশীদ শাহীন
৩০ জুন ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৯ জুন ২০২০ ২১:৫৯
advertisement

নতুন অর্থবছরের বাজেটকে বলা হচ্ছে করোনাকালের বাজেট। কিন্তু প্রকৃতই কি এবারের বাজেট করোনাকালের বাজেট হয়ে উঠেছে? প্রতিটি অর্থবছরের শুরুতে যে বাজেট পেশ করা হয়Ñ এর সঙ্গে এবারের বাজেটের খুব বেশি ফারাক, ব্যতিক্রম কিংবা বিশিষ্টতা আছে কি? নাকি কতিপয় সংখ্যার হেরফের, কম-বেশি কিংবা এধার-ওধার করে তৈরি হয়েছে নতুন অর্থবছরের আলোচ্য বাজেট এবং যাকে প্যাক করা হচ্ছে করোনাকালের বাজেট হিসেবে। এই লেখায় এবারের বাজেট কতটা গতানুগতিক আর কতটা করোনাকালের, তা যেমন খতিয়ে দেখার চেষ্টা করা হবেÑ তেমনি করোনাকালের বাজেটে নতুন চিন্তা ও সংস্কার কতটা রয়েছে এবং কেমনভাবে রয়েছে, তাও তালাশ করা হবে সংক্ষিপ্ত পরিসরের মধ্যে সহজবোধ্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তরের আলোকে।

উল্লেখ্য, তেমন কোনো সংশোধনী ছাড়াই গতকাল ২৯ জুন পাস হয়েছে ২০২০-২০ অর্থবছরের বাজেটের অর্থবিল আর আজ ৩০ জুন পাস হবে বাজেট এবং আগামীকাল ১ জুলাই থেকে হবে কার্যকর। তবে বাজেট পাস হওয়ার আগেই বাজেটে যেসব জিনিসের দাম বেড়ে যায়, তা বেশ জুৎসইভাবেই কার্যকর হয়। এটি আমাদের ফি বছরের অভিজ্ঞতা। বাজেটে যেসব জিনিসের দাম কমানোর প্রস্তাব করা হয়, এর দাম বাজেট পাস হওয়ার পরও প্রায়ই কমে না। কিন্তু বাড়ানোর প্রস্তাব থাকলে তা ঠিকই কার্যকর হয়ে যায়। তবে এই সংস্কৃতি এবার যেন আরও উদোম শরীরে আমাদের কাছে ধরা দিল এবং মজার বিষয়, এই নিয়ে কোনো প্রকার অ্যাকশন-রিঅ্যাকশনের কোনো তৎপরতা সীমিত পরিসরেও দেখা গেল না। সেটি হলো মোবাইল ফোনে কথা বলার ওপর টাকা কর্তন। তা প্রস্তাব আকারে উপস্থাপিত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর হয়ে গেল। তবে এটি এভাবে কার্যকার হয় কোন যুক্তিতে? আমাদের কাছে অনেক প্রশ্নের উত্তর যেমন নেই, তেমনি এ প্রশ্নের উত্তরও নেই কিংবা অধরাই থেকে গেল।

প্রসঙ্গত, ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অর্থমন্ত্রীর দ্বিতীয় বাজেটের শিরোনাম ছিল ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথ।’ স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের সংক্ষিপ্ততম বাজেট অধিবেশনের রেকর্ড গড়ল করোনাকালের বাজেট। তা শেষ হয় মাত্র আট কার্যদিবসে। বিগত দিনগুলোর বাজেট অধিবেশনে দীর্ঘ আলোচনা হওয়াই ছিল রীতি ও স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে মাত্র একদিন আলোচনা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে। এই অধিবেশন সংক্ষিপ্তাকারে করার পরিকল্পনা থাকলেও সিদ্ধান্ত ছিল ১৫ থেকে ২০ ঘণ্টা বাজেট নিয়ে আলোচনা করা হবে। তবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় তাও কমিয়ে আনা হয়।

লক্ষণীয়, যে করোনা ভাইরাসের কারণে এতকিছু ঘটছে, ইতিহাসের অনেক কিছু বদলে যাচ্ছে, বাজেট অধিবেশন সংক্ষিপ্ত থেকে সংক্ষিপ্ততর করতে বাধ্য হয়েছেÑ সেটিকে মোকাবিলায় বাজেটে নতুন চিন্তা এবং সংস্কারের উপস্থিতিকে অপ্রতুল বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদসহ বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনরা।

করোনা একই সঙ্গে বিশ্বজনীন ও দেশীয় সমস্যা হলেও মোকাবিলা করতে হচ্ছে নিজস্ব সামর্থ্য ও সক্ষমতায়। অর্থাৎ করোনাযুদ্ধে নিজেদেরই লড়তে হবে। এ কারণে নিজেদের পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনাকে সময়োপযোগী করার কোনো বিকল্প নেই। বাস্তবতা হলো, ওই জায়গায় আমরা মনে হয় অন্যদের তুলনায় অনেক পিছিলে রয়েছি। অথচ ভৌগোলিক অবস্থান, আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যাবলির কারণে আমরা অন্যদের থেকে ছিলাম এবং আছি সুবিধাজনক অবস্থানে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আমাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের সুফল। আমাদের গড় মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক বেশি, প্রতিকূল অবস্থায় টিকে থাকার শারীরিক ও মানসিক শক্তিও তুলনামূলকভাবে সন্তোষজনক। কিন্তু ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটি, প্রতিকারমূলক প্রস্তুতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের খামতিতে আমাদের সংকট দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। আমরা অকূল পাথারে পড়ার উপক্রম হয়েছি এবং হচ্ছি।

করোনার এই মহামারীকালীনকে নানাভাবে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ও সংজ্ঞায়নের চেষ্টা করছেন বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রের চিন্তকরা। বলা হচ্ছে, পৃথিবীতে এ রকম দুর্যোগ এভাবে-এরূপে আসেনি কখনো। প্রায় প্রতিশতাব্দীতে এক বা একাধিক মহামারীর দেখা দিলেও তাদের চারিত্র্য কাঠামোর সঙ্গে করোনার কোনো মিল নেই। বলা হচ্ছে, গত শতাব্দীর দুটি বিশ্বযুদ্ধও পৃথিবীর ওপর এতটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারিনি, এমকি দুর্ভিক্ষাবস্থাগুলো হার মানতে বসেছে করোনার এই ভয়াবহতায়। পুরো পৃথিবীকে এভাবে লকডাউন করার ঘটনা কখনই ঘটেনি করোনা যেভাবে করেছে। করোনা মানুষের জীবন ও জীবিকাকে খাদের কিনারে এনে দাঁড় করিয়েছে। এ থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ এবং সবিশেষ নজর দেওয়া। জীবন ও জীবিকার সঙ্গে এ দুটি বিষয় গভীরভাবে সম্পৃক্ত এবং নির্ভরশীল। স্বাস্থ্য খাতকে যদি শক্তিশালী ও সময়োপযোগী করা যায়, তা হলে করোনা আঘাতে মানুষ অন্তত চিকিৎসাটি পাবে। বিনা চিকিৎসায় ধুঁকে ধুুঁকে আর চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা কিংবা প্রতারণার শিকার হয়ে অন্তত তাকে মরতে হবে না। আর অর্থনীতির চাকাকে যদি সচল রাখা যায়, প্রবহমান থাকে অর্থনীতির স্বাভাবিক গতি-প্রকৃতিÑ তা হলে মানুষকে জীবিকা নিয়ে বিপৎসংকুল অবস্থার মধ্যে পড়তে হবে না। মনে রাখতে হবেÑ করোনা ভাইরাস যেমন ভয়ঙ্কর জীবনবিনাশী, তেমনি জীবিকাহীন জীবনও মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠসদৃশ। তাই করোনা মোকাবিলায় জীবন ও জীবিকা রক্ষায় এবং স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর গুরুত্বারোপের কোনো বিকল্প নেই। উল্লেখ্য, এখানে অর্থনীতি বলতে মূলত কৃষি, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানকে বোঝানো হয়েছে। বাস্তবতা হলো, এবারের বাজেটে করোনার পরিপ্রেক্ষিতে এসব ক্ষেত্রে যে মাত্রার পরিবর্তন-পরিবর্ধন ও নতুন চিন্তা এবং সংস্কার যোগ হওয়া অপরিহার্য ছিল, তা হয়নি অনেকাংশেই।

করোনাকাল আমাদের স্বাস্থ্য খাতকে একেবারে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। এতটা শ্রীহীন এই খাত তা বোধ করি আমাদের কল্পনাতেও ছিল না। এই স্বাস্থ্য খাত নিয়ে যে পরিমাণ বাগাড়ম্বর করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মানুষের পক্ষে করা সম্ভব কিনাÑ সেটি প্রশ্নসাপেক্ষ। এবারের বাজেট বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত পুনর্গঠন করার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারত। বছরের বছরের পর বছর ধরে স্বাস্থ্য খাতে যে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা-অচল প্রথা বাসা বেঁধেছিল, তা দূর করার একটি চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারত। কিন্তু সেসবের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি তো দেয়নি, ভ্রƒক্ষেপ কতটা ফেলেছেÑ সেটি নিয়েই দীর্ঘ বিতর্ক হওয়ার অবকাশ রয়েছে।

নয়া অর্থবছরের বাজেটে ২৯ হাজার ২৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে স্বাস্থ্য খাতের বাজেটে। গত বছর তা ছিল ২৫ হাজার ৭৩ কোটি টাকা। করোনা মহামারীর বাস্তবতায় বরাদ্দ যে খুব বেশি বাড়েনি, তা বোধ করি বিশেষজ্ঞ তো বটেই, সবার কাছেই স্পষ্ট। অবশ্য সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা, প্রকল্প কিংবা দিকনির্দেশনা ছাড়াই স্বাস্থ্য খাতের জন্য থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা। এ বরাদ্দে যেহেতু কোনো প্রস্তাবনা নেই, সেহেতু এটিকে গণিমতের মাল হিসেবে গণ্য করার শঙ্কাটাই প্রবল। কারণ দুর্নীতিতে স্বাস্থ্য খাত সব সময়ই এগিয়ে। আর এটি জিইয়ে থাকার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ ভিআইপি সংস্কৃতি এবং যারা স্বাস্থ্য খাতের ভালো-মন্দের সঙ্গে সব সময় জড়িত, তাদের বিদেশমুখী চিকিৎসাপ্রবণতা। এখানকার মন্ত্রী-এমপি, আমলা থেকে শুরু করে ওপরতলার ব্যক্তিরা তো বটেই, চিকিৎসকরাও তাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের ওপর কোনো প্রকার আস্থা রাখতে কুণ্ঠিত বোধ করে। এটি যে কত বড় ভয়ঙ্কর সত্য, এর বাস্তবতা হলো করোনাকালের চিকিৎসাব্যবস্থার মর্মন্তুদ অভিজ্ঞতাগুলো। এই সময় একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে সামরিক হাসপাতালÑ যেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ। স্বাস্থ্য খাতের বাজেটচিত্রই যদি এ রকম হয়, তা হলে অন্যান্য ক্ষেত্রের বাস্তবতা যে অনেক শোচনীয় ও মন্দাগ্রস্তÑ তা নিশ্চয় সহজেই অনুমেয়।

করোনার অভিঘাতে জীবিকার সুযোগ যেমন বাধাগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি সংকুচিতও হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিতে মনোযোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন ছিল সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা। কিন্তু তেমনটি হয়নি। এই খাতে বরাদ্দ বেড়েছে ১৩ হাজার ৭০৯ কোটি টাকা।

যুক্তরাজ্যে করোনা মোকাবিলায় নেওয়া হয়েছে সাহসী সিদ্ধান্ত। সেখানে বেসরকারি খাতের কোনো চাকরিজীবী যেন বেকার হয়ে না পড়ে, এ জন্য সরকার থেকে ৬০ শতাংশ বেতনা দেওয়া হচ্ছে। অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য তারা ঘোষণা দিয়েছেনÑ এটি ততদিন চলবে, যতদিন করোনা মহামারী থাকবে। তারা মনে করেনÑ অর্থনীতির চাকা একবার যদি বাধাগ্রস্ত ও অকেজো হয়ে পড়ে, তা হলে সেটিকে পুনরায় সচল করা দুরূহ এবং এ জন্য শেষাবধি সরকারকেই পড়তে হবে বড় ধরনের অর্থনৈতিক মন্দায়। তাই জনগণের জীবিকা রক্ষার তাগিদেই নতুন এ চিন্তা ও সংস্কারের পথ বেছে নিয়েছেন তারা। আমাদের পাশের দেশ ভারতের কেরালা সরকার করোনা মোকাবিলায় সারাবিশ্বের রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শুধু স্বাস্থ্য খাতেই তারা নতুন চিন্তা ও সংস্কারের প্রয়োগ করেননি, জীবিকা রক্ষাতেও নিয়েছেন সাহসী সিদ্ধান্ত। সরকারি কর্মচারীদের বেতন কমিয়েছেন ২৫ শতাংশ। আমাদের আমলাতন্ত্রের কাছে কি এ ধরনের কোনো কিছু প্রত্যাশা করা সম্ভব?

অন্যদিকে কৃষিতে ভর্তুকি বেড়েছে মাত্র ৫০০ কোটি টাকা। অথচ এ সময় কৃষির প্রতি মনোযোগ দিলে কৃষি অর্থনীতি আরও বেশি বিকশিত হওয়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতো। মানুষ যেভাবে ঢাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে এবং ছাড়ছে, এতে কৃষির প্রতি মনোযোগ দেওয়া আবশ্যাম্ভাবী।

শিক্ষা খাতের বরাদ্দেও রয়েছে শুভঙ্করের ফাঁকি। টাকার অঙ্কে বেড়েছে এই খাতের বাজেট। কিন্তু জিডিপির অনুপাতে কমেছে শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ। বাজেটের এ চিত্রই বলে করোনাকালের বাজেটে যেভাবে নতুন চিন্তা ও সংস্কার প্রত্যাশিত ছিল, তা উপেক্ষিত হয়েছে অনেকাংশেই। বেশিরভাগে ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান কম-বেশি করা হয়েছে। আবার যেসব খাতে বাড়ানো হয়েছে, সেখানকার কোনো কোনো খাতে দেখা যাচ্ছেÑ যুক্তিযুক্ত নয় এমন প্রকল্প ঢুকিয়েও ওই খাতকে স্বাস্থ্যবান দেখানো হয়েছে। ফলে করোনাকালের এই বাজেট থেকে আদতে কতটা সুফল, সেটি নিয়ে সংশয় রয়েই গেছে।

আমরা যদি গত কয়েক বছরের বাজেট লক্ষ্য করি, তা হলে দেখবÑ বাজেটের বিভিন্ন খাত নিয়ে ডিটেইলিংয়ের অভাব রয়েছে। এখানে কোনো প্রকার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ, যুক্তি, উপযোগিতা, অভিজ্ঞতার বিশদ উপস্থাপনা না থাকায় সেখানে নতুন চিন্তা ও সংস্কারের প্রয়োগ নেই। করোনাকাল যেহেতু অনেক কিছু পাল্টে দিয়েছে, এ ধরনের সর্বগ্রাসী মহামারী মোকাবিলায় নতুন নতুন চিন্তা ও সংস্কারের কোনো বিকল্প নেইÑ সেহেতু ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট হবে করোনা মহামারী প্রতিরোধী নতুন চিন্তা ও সংস্কারের বাজেট। কিন্তু ওই প্রত্যাশা না ছুঁয়ে এবারের বাজেটও যেন হাঁটল চেনা পথে, গৎবাঁধা ছকে আর সংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধির সরলাঙ্কে।

ড. কাজল রশীদ শাহীন : সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক

advertisement