advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মানসিকভাবে শক্ত থাকার চ্যালেঞ্জ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৩০ জুন ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩০ জুন ২০২০ ০৯:০১
করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ সময় বন্ধ রয়েছে সকল খেলা। দীর্ঘ বিরতিতে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম এবং শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বর্তমান চিত্র। ছবি : নজরুল মাসুদ
advertisement

প্রায় সাড়ে তিন মাস হতে চলল-এখনো চার দেয়ালে বন্দি ক্রিকেটাররা। কবে অনুশীলনে কিংবা খেলায় ফিরবেন তারা, তা এখনো নির্দিষ্ট করে কেউই বলতে পারছেন না। এরই মধ্যে বেশ কয়েক ক্রিকেটার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। দেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা, নাফিস ইকবাল ও নাজমুল ইসলাম অপু; করোনা ভাইরাসের সঙ্গে লড়ছেন তাদের পরিবারের সদস্যরাও। ক্রিকেটাররা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন, অন্য ক্রিকেটাররাও ভয়ে আছেন।

তবে ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত খোঁজ-খবর রাখতে নতুন ‘করোনা’ অ্যাপ চালু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশিস চৌধুরী জানিয়েছেন, আস্তে আস্তে সব ক্রিকেটার এ অ্যাপের আওতায় আসবেন। এই অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে কিছুটা হলেও চিন্তামুক্ত থাকবে ক্রিকেটাররা। কেননা ক্রিকেটাররা কতটুকু করোনা ঝুঁকিতে আছে, সেটি অন্তত বিসিবির নজরদারিতে থাকবে। কিছু হলে আগেভাগেই জানাতে পারবে ক্রিকেটাররা। প্রতিদিন সকালে অ্যাপের মাধ্যমে ৮টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় ক্রিকেটারদের।

বিসিবির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ক্রিকেটাররা। তবে মানসিকভাবে শক্ত থাকার চ্যালেঞ্জ থাকছেই ক্রিকেটারদের। কেননা দীর্ঘ দিন ঘরবন্দি, মাঠের অনুশীলন কিংবা খেলায় নেই তারা। এ অবস্থায় মানসিক অবসাদ আসাটাই স্বাভাবিক। অন্যদিকে একটি একটি করে সিরিজ স্থগিতের খবরও হতাশার। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরবে, সেটিও অনিশ্চিত। সব মিলিয়ে মানসিকভাবেই শক্ত থাকাটা কঠিন চ্যালেঞ্জ তাদের জন্য।

বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল জানিয়েছেন, একজন পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে ব্যাট-বলের বিষয়টা আমাদের রক্তেই আছে সবসময়। যখন ২-৩ মাস বাসায় লকডাউনের মধ্যে আছেন, তাই এ সময়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মানসিকভাবে নিজেকে শক্ত রাখা। আমি মনে করি, ৫-৬ দিন কাজের মাধ্যমে নিজের ফিটনেস ধরে রাখতে পারবেন। তবে মানসিকভাবে শক্ত থাকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের শুরুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বলেছিলেন, ক্রিকেটারদের মানসিকভাবে চাঙা থাকতে হবে। কেননা শক্ত মানসিকতা খুবই জরুরি। এটিই ক্রিকেটেরদের আগের অবস্থায় নিয়ে যেতে পারে। মানসিকভাবে ভেঙে পড়া যাবে না। ক্রিকেটারদের শক্ত মানসিকতার ওপর জোর দিয়েছেন ক্রিকেট কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। মানসিকভাবে শক্ত থাকতে হবে প্রত্যেককেই। মানসিকভাবে শক্ত থাকাটা বড় চ্যালেঞ্জ-এটি জয় করতে হবে। ক্রিকেটারদের নিয়ে কোনো মনোবিদ কাজ করবে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে বিসিবির চিকিৎসক দেবাশিস চৌধুরী বলেছেন, সেটি এখনো নিশ্চিত হয়নি। তবে ক্রিকেটাররা চাইলে মনোবিদের পরামর্শ নেবেন। পৃথিবীর অনেক দেশেই ক্রীড়াবিদদের নিয়ে কাজ করছেন মনোবিদরা।

advertisement
Evaly
advertisement