advertisement
advertisement

বাড়তি বিল সমাধানে ৩৬ জোনাল অফিসকে নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ জুন ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৯ জুন ২০২০ ২২:৩৫
advertisement

বেশি বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সম্প্রতি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইনে গ্রাহকশুনানির আয়োজন করেছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি)। গত ২৮ জুন রাতের গণশুনানিতে গ্রাহক ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান। তিনি গ্রাহকের বেশি বিদ্যুৎ বিলসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিযোগ গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখে সমাধান করে দিতে কোম্পানির ৩৬টি জোনাল অফিসের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে গ্রাহকদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন অথবা অভিযোগ আমলে নেয়নি এমন অভিযোগ কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ^াস দেন।

করোনাকালে তিন মাসের বিদ্যুৎ বিল একসঙ্গে দেওয়ার সুযোগের সরকারি ঘোষণায় অধিকাংশ গ্রাহক জুন মাসেই বিল পরিশোধের জন্য যান। কিন্তু অনেকেরই স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। ভুতুড়ে এই বিল নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইনে একটি শুনানির আয়োজন করে ডিপিডিসি।

শুনানিতে বলা হয়, যাদের অতিরিক্ত বিল এসেছে তাদের বিল ঠিক করে দেওয়া হবে। কোনোভাবেই বেশি বিদ্যুতের টাকা রাখবে না ডিপিডিসি। পাশাপাশি অতিরিক্ত বিলের জন্য দায়ীদের ৩০ জুনের মধ্যে খুঁজে বের করার ঘোষণাও দেওয়া হয়। গত রবিবার ফেসবুক লাইভে গ্রাহকের বিলের অভিযোগ নিয়ে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে এমন কথাই বলেছেন ডিপিডিসির কর্মকর্তারা। ‘গ্রাহকের জিজ্ঞাসা ও উত্তর’ শীর্ষক শুনানিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) এটিএম হারুন অর রশিদ, নির্বাহী পরিচালক (আইসিটি) শহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান বলেন, প্রতি মাসে আমরা যেমন রিডিং নিয়ে বিল করি। করোনার কারণে তা করা যায়নি। গড় বিল করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে কিছু ভুলভ্রান্তি হয়েছে। অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ করেছেন। আমরা খুবই দুঃখিত এ ধরনের ভোগান্তির জন্য। তবে সব বিলই আমরা সংশোধন করে দেব। যাদের কারণে এই অতিরিক্ত বিল হয়েছে

তাদের কী করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ডিপিডিসি থেকে কমিটি করা হয়েছে। আগামী ৩০ তারিখের মধ্যে তাদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া হবে।’

গ্রাহকরা ৩০ জুনের মধ্যে বিল দিতে না পারলে জরিমানা করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে গ্রাহক যেভাবে বিল দেবেন, সেভাবেই এখন বিল নেব। আর কেউ যদি এখন দিতে না পারেন, সেটিও বিবেচনা করব।

আবাসিকের মতো শিল্প ও বাণিজ্যিক লাইনের ক্ষেত্রে সারচার্জ মাফ করা হবে কিনা এমন প্রশ্নে বিকাশ দেওয়ান বলেন, সে সুযোগ আমাদের হাতে নেই। আমরা বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে অনুমতি চেয়েছি। তারা সিদ্ধান্ত জানালে বলতে পারব।

নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) হারুন অর রশিদ বলেন, কাউকে এক ইউনিট বেশি বিদ্যুতের বিল দিতে হবে না। একটু ধৈর্য ধরুন। কমিটি কাজ করছে। দোষীদের অবশ্যই খুঁজে বের করা হবে এবং গ্রাহকদের বিল সংশোধন করে দেওয়া হবে।

advertisement