advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪৫ শনাক্ত ৪০১৪ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ জুন ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৯ জুন ২০২০ ২২:৫২
advertisement

দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৭৮৩ জনে। নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ৪ হাজার ১৪ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার ৮০১ জনে। নতুন করে ২ হাজার ৫৩ জনসহ এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৫৭ হাজার ৭৮০ রোগী। গতকাল সোমবার দুপুর আড়াইটায় দেশে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

দেশে বর্তমানে ৬৮টি ল্যাবে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে কারিগরি সমস্যার কারণে ২৪ ঘণ্টায় ৬৫টি ল্যাবের ফল পাওয়া গেছে। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৪ হাজার ৪১৩টি। তবে আগের নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ৮৩৭টি। এতে রোগী শনাক্ত হয় ৪ হাজার ১৪ জন। এ নিয়ে দেশে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে

৭ লাখ ৪৮ হাজার ৪৩টি। আর রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৮০১ জন। ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৭৫ এবং মৃতের হার ১ দশমিক ২৬ শতাংশ।

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, নতুন করে মৃত্যু হওয়া ৪৫ জনের মধ্যে ৩৬ পুরুষ এবং ৯ নারী। এর মধ্যে হাসপাতালে ৩০, বাড়িতে ১৪ এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। বয়স বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে দুজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে সাতজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। অঞ্চল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ২২, চট্টগ্রামে ১০, খুলনায় পাঁচ, সিলেট ও বরিশালে তিনজন করে এবং রাজশাহী ও ময়মনসিংহে একজন করে রয়েছেন।

ডা. নাসিমা জানান, দেশে ২৪ ঘণ্টায় রোগী ভর্তি হয়েছেন ৭১৯ জন, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৬৪৬ জন। সারাদেশে সাধারণ শয্যায় রোগী ভর্তি আছেন ৪ হাজার ৮৮১ জন এবং আইসিইউতে ২১৩ জন। নতুন করে আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৮ জন, ছাড়া পেয়েছেন ৬০৯ জন। এখন পর্যন্ত আইসোলেশনে গেছেন ২৫ হাজার ৮৩৮ জন, ছাড়া পেয়েছেন ১০ হাজার ৮৯৬ জন। ১৪ হাজার ৯৪২ জন বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন।

advertisement