advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দায়মুক্তি পাওয়া মূলহোতা নূর দ্বিতীয় তদন্তে ধরা

হাবিব রহমান ঢাকা ও হামিদ উল্লাহ চট্টগ্রাম
৩০ জুন ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৯ জুন ২০২০ ২২:৫২
advertisement

চট্টগ্রাম বন্দরে সূর্যমুখী তেল আমদানির আড়ালে ড্রাম ভর্তি করে আনা ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের কোকেন চোরাচালানের মূলহোতাকে মামলার চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ রক্ষা হয়নি এই মাদক সম্রাটের। চার্জশিট ত্রুটিপূর্ণ মনে হওয়ায় পুনর্তদন্তের ভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করেন আদালত। তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। অবশেষে মামলার মূলহোতাসহ ১০ জনকে আসামি করে গতকাল চট্টগ্রামের একটি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে র‌্যাব।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ৭ জুন বিকালে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইয়ার্ডে অবৈধ উপায়ে এলসি ব্যতীত আমদানি করা সূর্যমুখী তেলের একটি কনটেইনার জব্দ করা হয়। পরে সিলগালা ভেঙে কনটেইনারের ভেতরে ১০৭টি নীল রঙে প্লাস্টিকের ড্রাম উদ্ধার করা হয়। ল্যাবে ড্রামগুলোয় থাকা সূর্যমুখী তেলের নমুনা পরীক্ষা করে দুটি ড্রামে ৩৭০ লিটার তরল কোকেন শনাক্ত হয়। আদালতের নির্দেশে এ বিষয়ে বন্দর থানায় ২৭ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়। মামলার তদন্তভার বন্দর থানা পুলিশ থেকে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এডিসি কামরুজ্জামানকে দেওয়া হয়। তিনি তদন্ত শেষে মাদক আইনে একই বছরের ১১ নভেম্বর এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে ২০১৭ সালের ১২ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

র‌্যাব জানায়, আদালত মামলাটির তদন্ত ত্রুটিপূর্ণ বিবেচনায় আমলে না নিয়ে তদন্তভার চট্টগ্রামের র‌্যাব ৭-এর ওপর অর্পণ করেন।

কর্তৃপক্ষ পুলিশ সুপার (এসপি) মহিউদ্দিন ফারুকীকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২ এপ্রিল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অংশটুকুর অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন আছে। বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা তদন্ত শেষে মহিউদ্দিন ফারুকী গতকাল আদালতে ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত আসামিরা হলো গোলাম মোস্তফা সোহেল, নূর মোহাম্মদ, মোস্তফা কামাল, মেহেদী আলম, আতিকুর রহমান, একেএম আজাদ, সাইফুল ইসলাম, মোস্তাক আহাম্মদ খান, ফজলুর রহমান ও বকুল মিয়া। এর মধ্যে এই কোকেন চোরাচালানের মূলহোতা নূর মোহাম্মদকে প্রথমবারের তদন্তে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এমন একজন মাদক সম্রাটকে কেন দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছিল সেই বিষয়টি এখন সামনে চলে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও র‌্যাবের এসপি মহিউদ্দিন ফারুকী আমাদের সময়কে বলেন, অভিযোগপত্রে থাকা আসামিদের মধ্যে সাতজন কারাগারে আছে। বাকি তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

advertisement