advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বগুড়ার করোনা চিকিৎসাকেন্দ্রে শয্যা সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
৩০ জুন ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৯ জুন ২০২০ ২৩:০৭
advertisement

বগুড়ায় প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এতে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে সরকারি করোনা চিকিৎসাকেন্দ্র মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে। বগুড়ায় একমাত্র সরকারি করোনা চিকিৎসাকেন্দ্র মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ২৫০। কিন্তু সেখানে কারোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য ১২০টি শয্যা চালু করা হয়েছে।

বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এটিএম নুরুজ্জামান সঞ্চয় জানান, তাদের হাসপাতাল ২৫০ শয্যার হলেও সামজিক দূরুত্ব বজায় রাখতে সেখানে গতকাল পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি ছিল ১৩৪ জন। এ ছাড়া বেসরকারি বগুড়া টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য শয্যা আছে ১২০টি। এখন সেখানে করোনা রোগী ভর্তি আছে প্রায় ১০০ জন।

তিনি আরও জানান, বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসোলেশন কেন্দ্রে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে এখন পর্যন্ত আট চিকিৎসক, ২৮ নার্স ও বেশ কয়েকজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সীমিতসংখ্যক জনবল নিয়ে লড়াই করে যাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতলের উপপরিচালক ডা. আবদুল ওয়াদুদ জানান, মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে স্থান সংকুলান না হওয়া ৩০ জুন (আজ মঙ্গলবার) থেকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) আরও ৪০ শয্যার কোভিড

ইউনিট চালু হচ্ছে। শজিমেক হাসপাতালের সেন্ট্রাল লাইন অক্সিজেন ওয়ার্ডে গুরুতর করোনা রোগীদের ভর্তি করা হবে। বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে সেন্ট্রাল লাইন অক্সিজেন পয়েন্ট আছে ১৫০টি।

টিএমএসএস উপনির্বাহী পরিচালক ডা. মতিয়ার রহমান তাদের প্রতিষ্ঠানে কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য প্রথমে ২০ শয্যা দিয়ে চিকিৎসা শুরু করেন। এখন ১২০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানে করোনার নমুনা পরীক্ষা করতে একজনের খরচ পড়ে সাড়ে ৩ হাজার টাকা। পক্ষান্তরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজে বিনামূল্যে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সেই কারণে নিম্নআয়ের মানুষ ও মধ্যবিত্তরা ছুটে যাচ্ছেন শজিমেক ল্যাবে।

বগুড়ায় ১ এপ্রিল প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। গত ২৮ জুন পর্যন্ত বগুড়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৮২ জন।

advertisement