advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বুড়িগঙ্গা পাড়ে লাশের সারি
দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করুন

১ জুলাই ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ১ জুলাই ২০২০ ০১:০৩
advertisement

গত সোমবার সকালে রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকার বুড়িগঙ্গা নদীতে ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যায় ছোট আকারের লঞ্চ মর্নিং বার্ড। মুন্সীগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে সদরঘাটে এসে নোঙর করতে যাচ্ছিল মর্নিং বার্ড। ময়ূর-২ লঞ্চটিও চাঁদপুর থেকে সদরঘাটে এসে যাত্রী নামিয়ে ভিন্ন স্থানে নোঙর করতে যাচ্ছিল।

ডুবে যাওয়া লঞ্চটি থেকে এ পর্যন্ত ৩২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া লঞ্চডুবির প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর রাত ১০টার দিকে এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হলোÑ ময়ূর-২ লঞ্চটির চালক ছিলেন না, মাস্টার দিয়ে চালানো হচ্ছিল লঞ্চটি। এ ঘটনায় সোমবার রাতে নৌ-পুলিশের পক্ষ থেকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে। এতে আসামি করা হয়েছে ‘ময়ূর-২’ লঞ্চের মালিকসহ ছয়জনকে।

দেশে সাম্প্রতিক সময়ে বড় লঞ্চডুবির ঘটনা না ঘটলেও অতীতে প্রায় প্রতিবছরই ছোট-বড় দুর্ঘটনায় শত শত মানুষের মৃত্যুর অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন, চালকের অদক্ষতা ও অনভিজ্ঞতা, লঞ্চের নকশায় সমস্যা, ফিটনেস তদারকির অভাব ইত্যাদি কারণে লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। তবে বিষয়টি আলোচনায় আসে কেবল তখনই, যখন কোনো লঞ্চডুবিতে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়। অন্য সময় এ বিষয়গুলো দেখভাল করার যেন কেউ থাকে না। লঞ্চডুবির ঘটনায় কারও তেমন কোনো শাস্তিও হয় না। তাই আমরা প্রতিবছরই দেখে আসছি শত শত মানুষের মৃত্যু।

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবিতে যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি। আমরা চাই, সরকারের পক্ষ থেকে যেন প্রতিটি পরিবারের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হয়। সেই সঙ্গে লঞ্চডুবির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

advertisement