advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শশাংকের মেয়াদ শেষ, আইসিসি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইমরান

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১ জুলাই ২০২০ ২১:০৬ | আপডেট: ১ জুলাই ২০২০ ২৩:০৪
সদ্য বিদায়ী আইসিসির চেয়ারম্যান শশাঙ্কা মনোহর। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

আগে থেকেই জানা, বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির চেয়ারম্যান শশাঙ্কা মনোহরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তিনি চলে যাওয়ার পর আইসিসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন শশাঙ্কের ডেপুটি ইমরান খাজা।

আজ বুধবার আইসিসির সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে। নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন চেয়ারম্যান না আসা পর্যন্ত ইমরান দায়িত্ব পালন করে যাবেন।

আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘আইসিসি চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহর দুবারের দুই বছরের মেয়াদ শেষে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। আইসিসির বোর্ড আজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যতদিন তার স্থলাভিষিক্ত নির্বাচিত না হবেন, ততদিন ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করবেন।’

আইসিসির প্রধান নির্বাহী মানু বিদায়ী চেয়ারম্যান শশাঙ্কের প্রশংসা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন। ইমরান খাজাও শশাঙ্কের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। আইসিসিতে শশাঙ্ক জমানা শেষ। নতুন চেয়ারম্যানের খোঁজ চলছে। এই রেসে সৌরভ গাঙ্গুলি বেশ ভালোভাবেই টিকে আছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আইসিসির বোর্ডের সদস্যরা এই নিয়ে আলোচনায় বসেছিলেন। সেখানেই চেয়ারম্যান নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এমনটাই জানা গেছে। এ ছাড়া গত মাসে বৈঠকের আগেই আইসিসির ই-মেইল ফাঁস হয়ে যায়। সেই বিষয়ে আইসিসির এথিক্স অফিসার বোর্ড সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছে এদিনের বৈঠকে।

চেয়ারম্যান বেছে নেওয়া নিয়ে কী আলোচনা হয়েছে, সে প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বোর্ড সদস্য জানিয়েছেন, এখনো কিছু বিষয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। আশা করি, কয়েক দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছা সম্ভব হবে। এ কারণেই এখনো মনোনয়নের কোনো দিনক্ষণ ঠিক করা হয়নি। জানা গেছে, চেয়ারম্যান বাছার সময় নির্বাচন হবে নাকি পারস্পরিক সমঝোতা মেনে কাউকে এ পদে বসানো হবে, এই বিষয়ে সবাই একমত নন।

সৌরভ গাঙ্গুলির মনোনয়ন এখনো চূড়ান্ত নয়। পাশাপাশি অনেক কিছুই নির্ভর করছে ভারতের সুপ্রিমকোর্টের রায়ের ওপর। বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ ও সচিব জয় শাহ এর কুলিং অফ পিরিয়ড যাতে তুলে নেওয়া হয়, সে জন্য বোর্ডের তরফে আগেই শীর্ষ আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। সেই বিষয়ে সুপ্রিমকোর্ট কী রায় দেন, সেটাও দেখার অপেক্ষা।

advertisement