advertisement
advertisement

দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়াল

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ জুলাই ২০২০ ১৪:২৬ | আপডেট: ২ জুলাই ২০২০ ১৮:০৬
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।
advertisement

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ১৯ জন। এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৭ জন। করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ৩৮ জনের এবং সুস্থ হয়ে উঠেছে ৪ হাজার ৩৩৪ জন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় মহাখালী থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, ‘আমরা গত ২৪ ঘণ্টায় ৭০টি পরীক্ষাগার থেকে নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৭ হাজার ৯৪৭টি। আর পূর্বের নমুনাসহ পরীক্ষা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৬২টি। মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৮ লাখ ২ হাজার ৬৯৭টি। ২৪ ঘণ্টায় এই সংগৃহীত নমুনা থেকে শনাক্ত রোগী পেয়েছি ৪ হাজার ১৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্ত ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৭ জন। শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ১০ শতাংশ।’

অধ্যাপক নাসিমা বলেন, ‘২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ৪ হাজার ৩৩৪ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ৬৬ হাজার ৪৪২ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণ করেছে ৩৮ জন। এ পর্যন্ত মৃত্যু দাঁড়ালো ১ হাজার ৯২৬ জন। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৬ শতাংশ। মৃত্যু বিশ্লেষণে পুরুষ ৩২ জন এবং নারী ৬ জন।’

বয়স বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, ‘২১ থেকে ৩০ বছর ১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছর ২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছর ২ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছর ১৬ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছর ৮ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছর ৭ জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ২ জন মারা গেছে।’

অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘এ পর্যন্ত যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছে ৮৩৪ জন, এই হার ৪৩ দশমিক ৩১ শতাংশ। ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫৬০ জন, এই হার ২৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৮৫ জন, এই হার ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৪৬ জন, এই হার ৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৬৭ জন, এই হার ৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ। ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ২২ জন, এই হার ১ দশমিক ১৪ শতাংশ। ১০ বছরের নিচে ১২ জন, এই হার দশমিক ৬২ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।’

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিভাগে ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ জন, খুলনা বিভাগে ৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ৫ জন, রংপুর বিভাগে ১ জন, সিলেট বিভাগে ২ জন, এবং বরিশাল বিভাগে ২ জন মৃত্যুবরণ করেছে। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ৩৩ জন এবং বাসায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।’

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। আর গত ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে দিনে দিনে এর সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে।

advertisement