advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আমি নির্দোষ, কিছু সরকারি কর্মকর্তা পরিচ্ছন্ন নন : এমপি পাপুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ জুলাই ২০২০ ১৮:৫৮ | আপডেট: ৩ জুলাই ২০২০ ০২:০১
কুয়েতে রিমান্ডে আছেন লক্ষীপুর ২ আসনের এমপি পাপুল
advertisement

নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করেছেন মানবপাচার, অবৈধ ভিসা বিক্রি, মানি লন্ডারিং ও ঘুষ লেনদেনে জড়িত অভিযোগ ওঠা বাংলাদেশের সংসদ সদস্য (এমপি) শহিদ ইসলাম পাপুল। কুয়েতে রিমান্ডে থাকা অবস্থায় পাবলিক প্রসিকিউটরের কাছে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি এ দাবি করেন।

কুয়েতে তদন্তকারী পাবলিক প্রসিকিউটরদের পাপুল বলেন, ‘আমি এ ব্যাপারে নির্দোষ। তবে কিছু সরকারি কর্মকর্তা পরিচ্ছন্ন নন।’ এদিকে রিমান্ডে তদন্ত কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে কুয়েতি কয়েকজন কর্মকর্তাকে ঘুষ প্রদানের বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন।

আরব টাইমসের অনলাইনের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। কুয়েতি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে ২০ হাজার বাংলাদেশিকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কুয়েতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে।

তবে তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বেচ্ছায় ঘুষ প্রদানের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বাংলাদেশের এই এমপি। কুয়েতি কর্মকর্তাদের বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়েছেন বলে দাবি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের।

পাপুল বলেন, ‘দেখুন কুয়েতে আমার ৯ হাজার কর্মী রয়েছে এবং (এ বিষয়ে) আমার শতভাগ টেন্ডার রয়েছে। এ পর্যন্ত কেউ আমার কাজের অর্জন নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। অথচ (কুয়েতের) কিছু সরকারি কর্মকর্তা আমার টেন্ডার বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন। তাদেরকে টেন্ডারে রাজি করানোর একমাত্র মাধ্যম হলো তাদের ঘুষ দিতে হবে। তাই আমি এ ক্ষেত্রে কী আর করতে পারি?’

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এ সংসদ সদস্য তার মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের জেরার মুখে আত্মপক্ষ সমর্থনে বলেছেন, ‘আমার কোম্পানিতে যে সুযোগ-সুবিধা আছে, তা অন্য অনেক কোম্পানিতে নেই। চুক্তিমাফিক সরকারি এজেন্সিগুলোর সব শর্তই তিনি পূরণ করে আসছেন। এর প্রমাণও আছে। কিন্তু সমস্যা সৃষ্টি করেছেন দেশটির কিছু সরকারি কর্মকর্তা।’

আরব টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমপি পাপুলের প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৫০ লাখ কুয়েতি দিনার। এর মধ্যে ৩০ লাখই হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের মূলধন। কুয়েতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার ব্যক্তিগত ও তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করতে যাচ্ছে।

গত ৬ জুন কুয়েতের মুশরেফ আবাসিক এলাকা থেকে এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে গ্রেপ্তার করে দেশটির অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে আদালতে হাজির করা হলে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু বিচার তা নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গত বুধবার দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল পাপুলকে ২১ দিন কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

advertisement