advertisement
advertisement

শেবাচিমে নারী চিকিৎসককে উত্ত্যক্ত

বরিশাল প্রতিনিধি
৩ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২ জুলাই ২০২০ ২২:৫৯
advertisement

বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত এক ইন্টার্ন নারী চিকিৎসককে উত্ত্যক্ত করার জেরে চতুর্থ শ্রেণির দুই কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত দুই কর্মচারী হলেন অফিস সহায়ক দিদারুল ইসলাম ও নুরুল ইসলাম। মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে উত্ত্যক্তের বিচার দাবি করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। অন্যদিকে গতকাল বেলা ১১টার দিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালকের কাছে মারধরের ঘটনার বিচার দাবি করেছেন হাসপাতালের তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা।

হাসপাতাল

সূত্র জানায়, শেবাচিম হাসপাতালের এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসক গত ২৭ জুন করোনা আক্রান্ত হয়ে করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হন। তিনি তৃতীয় তলার একটি কক্ষে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ইন্টার্ন চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত দুজন গত ২৮ জুন নানা অজুহাতে একাধিকবার করোনা আক্রান্ত ওই ইন্টার্ন চিকিৎসকের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে উত্ত্যক্ত করে। এ ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে ওই চিকিৎসক বিষয়টি তার সহকর্মীদের মুঠোফোনে জানান।

অন্যদিকে মারধরের শিকার দুই কর্মচারী জানান, ২৯ জুন রাতে তাদের দুজনকে কলেজের হাবিবুর রহমান ছাত্রাবাসে নিয়ে মারধর করে বেশ কয়েক ইন্টার্ন চিকিৎসক। তারা আরও জানান, চিকিৎসাধীন ইন্টার্ন চিকিৎসকের রুমে তারা ভুলে ঢুকে পড়েছিলেন এবং তাৎক্ষণিক তার কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন। হাসপাতালের তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. মোদাচ্ছের কবির কর্মচারীদের মারধরের ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসক কর্তৃক মারধর এবং করোনা আক্তান্ত ইন্টার্ন চিকিৎসককে উক্ত্যক্তের বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

advertisement
Evaly
advertisement