advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ

অর্থ বরাদ্দে অর্থ সচিবের কাছে চিঠি

আবু আলী
৩ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২ জুলাই ২০২০ ২৩:৫১
advertisement

মাঠপর্যায়ের অফিসগুলোয় সেবার ক্ষেত্রে দুর্নীতি নির্মূল, জনহয়রানি কমানো এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এ জন্য উপজেলা ও জোনাল অফিসে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার মাধ্যমে দূরনিয়ন্ত্রিত (অনলাইন) সার্ভিল্যান্স সিস্টেম প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এ লক্ষ্যে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের আনুকূল্যে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দে অর্থ সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়টি। খবর অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রের।

চিঠিতে বলা হয়, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে দুর্নীতি নির্মুল ও জনহয়রানি বন্ধে প্রাথমিকভাবে প্রতিটি বিভাগের একটি আঞ্চলিক সেটেলমেন্ট কার্যালয়ে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে যেসব আঞ্চলিক কার্যালয়ে জরিপ কার্যক্রম চলমান সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ঢাকা বিভাগের ঢাকা আঞ্চলিক সেলেটমেন্ট কার্যালয়, চট্টগ্রাম বিভাগের নোয়াখালী আঞ্চলিক কার্যালয়, বরিশাল বিভাগের বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়, খুলনা বিভাগের খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়, রংপুর বিভাগের দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়, রাজশাহী বিভাগের বগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়, সিলেট বিভাগের সিলেট আঞ্চলিক কার্যালয় এবং ময়মনসিংহ বিভাগের টাঙ্গাইল আঞ্চলিক কার্যালয়ে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা বসানো যেতে পারে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের প্রস্তাব ও মতামতের আলোকে বিভিন্ন বিভাগের আওতাধীন উল্লিখিত কার্যালয়ে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা স্থাপনের লক্ষ্যে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের অনুকূলে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের অনুরোধ করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় মর্যাদাপূর্ণ ‘ইউনাইটেড ন্যাশনস পাবলিক সার্ভিস

অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ পেয়েছে। ‘ই-মিউটেশন’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের স্বীকৃতি হিসেবে ‘স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিকাশ’ ক্যাটাগরিতে এই অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে ভূমি মন্ত্রণালয়।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমাকে একটি চিঠির মাধ্যমে এ পুরস্কারের কথা জানিয়েছেন জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক বিভাগের (ডেসা) আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল লিউ ঝেনমিন।

বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিকে লেখা চিঠিতে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল উল্লেখ করেন, ‘জনস্বার্থে সেবার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়টির অসামান্য অর্জন শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ আপনার দেশে জনপ্রশাসনের উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখেছে। প্রকৃতপক্ষে, এই কাজ জনসেবায় ব্রতী হতে অন্যদের অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ জোগাবে।

advertisement
Evaly
advertisement