advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

এসএমই ঋণের কিস্তি স্থগিত করল ব্র্যাক ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩ জুলাই ২০২০ ১৩:১৭
advertisement

করোনার সংক্রমণে অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এসএমই) উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা। লকডাউনের কারণে উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ ছিল। কোনো ধরনের আয় না থাকায় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করার মতো অবস্থা নেই এসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের। তাই তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা পর্যালোচনা করে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঋণের কিস্তি স্থগিত করেছে অন্যতম সর্বোচ্চ এসএমই ঋণদাতা ব্র্যাক ব্যাংক। অর্থাৎ এই সময়ে ঋণগ্রহীতাদের ঋণের টাকা ফেরত দিতে হবে না। এখন পর্যন্ত আর কোনো ব্যাংক ঋণের কিস্তি স্থগিত করেনি।

ব্র্যাক ব্যাংক সূত্র জানায়, এসএমই গুরুত্ব দিয়ে এই খাতে সর্বোচ্চ ঋণ দিয়ে আসছে ব্র্যাক ব্যাংক। মোট ঋণের প্রায় অর্ধেক (৪৭ শতাংশ) এই খাতে বিতরণ করা হয়েছে। ব্যাংকটির এসএমই ঋণের পরিমাণ ১২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এসএমই খাতে ঋণ কার্যক্রমের খরচ অনেক বেশি হওয়া ৯ শতাংশ সুদ কার্যকরে বেকায়দায় পড়েছে ব্যাংকটি। এর পরও করোনার কারণে উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। সর্বপ্রথম এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কিস্তি স্থগিত করা হয়। এই মেয়াদ আবার বাড়িয়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হলো। এতে ১ লাখ ৮৫ হাজার এসএমই উদ্যোক্তার ঋণের টাকা ফেরত দিতে হবে না।

ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান সৈয়দ আবদুল মোমেন বলেন, করোনা সংকটে আমরা মোবাইলে একটি জরিপ করেছিলাম এসএমই শিল্পের পরিস্থিতির ওপর। তাতে জানতে পারি কোনো গ্রাহক ঋণের টাকা ফেরত দিতে পারবে না। তাই আমরা সবার

 

আগে এপ্রিল থেকেই কিস্তি স্থগিত করেছি। পরিস্থিতির উত্তরণ হলে অক্টোবর থেকে কিস্তি আদায় শুরু হবে। স্থগিত ছয় মাস ঋণের মেয়াদ শেষে বাড়িয়ে দেওয়া হবে এবং সুদহার কমায় কিস্তির পরিমাণও কমে যাবে।

ব্যাংক খাতের সব ঋণগ্রহীতাদের কিছুটা ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত এপ্রিল ও মে এই দুই মাসের সুদ স্থগিত করা হয়। একটি অংশের সুদ গ্রহীতার পক্ষে সরকার পরিশোধ করে দেবে। আবার জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কেউ কিস্তি ফেরত না দিলেও তাকে খেলাপি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পুরো কিস্তি স্থগিত আর কোনো ব্যাংক করেনি।

 

advertisement