advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চকরিয়ার ‘রাজকুমার’

খাবার বাবদ প্রতিদিন ব্যয় হয় ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা

মুকুল কান্তি দাশ চকরিয়া
৩ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২ জুলাই ২০২০ ২৩:৫১
advertisement

নাম তার ‘রাজকুমার’। সৌদি আরবের নয়, ব্রিটেনেরও নয়, এমনকি কোনো রূপকথার নয়। তবে এই রাজকুমার বাংলাদেশেরই; তা-ও আবার পর্যটন নগরী কক্সবাজারের চকরিয়ার! কী, শুনে অবাক হচ্ছেন? এটি কোনো আদম সন্তানও নয়। আরও অবাক হলেন? তবে শুনুন, এটা হলো এবারের কোরবানির গরু। গরুর মালিক আবু ওবাইদ বাদল শখ করে এই নাম রাখলেও এর পেছেনেও কারণ আছে। খাবারের তালিকাও রাজকীয়। নিয়মিত খর, ভুসি ছাড়াও তাকে খাওয়ানো হয় কমলা, মাল্টা, চিড়া, সয়াবিন ও গুড়সহ নানা রকমের পুষ্টিকর খাবার। খাবার বাবদ প্রতিদিন তার পেছনে ব্যয় হয় ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। শুধু কি তা-ই, রাজকুমার গরম সহ্য করতে পারে না। তাই তার জন্য রাখা হয়েছে চারটি ফ্যান। রাজকুমার খুব শান্ত প্রকৃতির, কাউকে কোনো বিরক্তও করে না।

তিন বছর আগে বাদলের খামারেই জন্ম হয় রাজকুমারের। এতদিন ধরে লালনপালন করা ৩০ মণেরও (১২০০ কেজি) অধিক ওজনের বিশাল গরুটি কোরবানি বাজারে দাম হাঁকা হয়েছে ২০ লাখ টাকা। এ পর্যন্ত ১০ লাখ টাকা এর দর উঠেছে। জেলায় এবারের কোরবানির ঈদে পশুর হাটে সবচেয়ে বড় ও আকর্ষণীয় গরু রাজকুমার বলে দাবি মালিক বাদলের।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় কোরবানির পশুর হাট জমে ওঠার আগেই এলাকাজুড়ে সাড়া ফেলেছে ‘রাজকুমার’। বিশাল এ গরু দেখতে প্রতিনিয়ত এলাকার সাধারণ মানুষ ও ক্রেতারা ভিড় করছেন। গরুটি কিনতে ইতোমধ্যে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ২৪ ব্যক্তি যোগাযোগ করেছেন। সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার পশ্চিম বড় ভেওলা ইউপির দরবেশ কাটার কৃষক আবু ওবাইদ বাদল কৃষিকাজের পাশাপাশি নিজ বাড়িতে গড়ে তুলেছেন ডেইরি ফার্ম। এই ফার্মে ছোট-বড় মিলে ৪৪টি গরু রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা। চকরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুপন নন্দী বলেন, আবু ওবাইদ বাদলের ফার্মে বেড়ে ওঠা সবচেয়ে বড় গরু রাজকুমারকে কোনো প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই দেশীয় খাবার ও ফলমূল খাইয়ে প্রাণিসম্পদ অফিসের তদারকিতে সঠিক পরিচর্যায় লালনপালন করে বড় করা হয়েছে। আমার জানামতে, উপজেলার সবচেয়ে বড় গরু এই রাজকুমার।

advertisement
Evaly
advertisement