advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সব খবর

advertisement

পশু নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারিরা
লোকসান ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিন

৩ জুলাই ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ২ জুলাই ২০২০ ২৩:৫৫
advertisement

পশু খামারিরা অপেক্ষায় থাকেন প্রতিবছরের কোরবানি ঈদের। এ সময়টাকে লক্ষ্য রেখেই তারা পশুপালন করেন। কিন্তু এবার করোনার সংকটকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিছু হাট বসলেও দাম কমেছে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ। খামারি থেকে প্রান্তিক কৃষক সবাই বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন। আর এমনটা ঘটলে অনেকে পশুপালনে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়বেন। আর তার প্রভাব পড়বে দেশের বিকাশমান পশু খামারশিল্পে।

২০১৮ সালে কোরবানিযোগ্য পশুর চাহিদা ছিল ১ কোটি ৫ লাখ। গত বছর চাহিদা ছিল ১ কোটি ১১ লাখ। এ বছর করোনা পরিস্থিতিতে চাহিদা বাড়বে না বলে মনে করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। এবার কোরবানিযোগ্য হৃষ্টপুষ্ট গবাদিপশুর জোগান দেওয়া যাবে প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ। অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে জোগান বেশি রয়েছে। কয়েক বছর আগেও কোরবানির ঈদে কিংবা অন্যান্য সময়ও ভারতীয় গরু না এলে বাজারে রীতিমতো হাহাকার উঠত। এখন ভারতীয় গরু না এলেও বাজারে পশুর অভাব হয় না। এক কথায় বাংলাদেশে পশুপালনে এক নীরব বিপ্লব সাধিত হয়েছে। দেশে বর্তমানে পাঁচ লাখ ২২ হাজার গবাদিপশুর খামার রয়েছে।

আমরা মনে করি দেশে লাখ লাখ খামারির সর্বস্বান্ত হওয়ার যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে তা থেকে তাদের কীভাবে রক্ষা করা যায় তার উপায় খুঁজতে হবে। সেজন্য এখনই পরিকল্পনা করতে হবে। প্রয়োজনে ভর্তুকি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। ভবিষ্যতে এই শিল্পের টিকে থাকা বা স্থায়িত্ব এবং উন্নয়ন নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করতে হবে। দেশীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে মাংস রপ্তানি করা যায় কিনা তা নিয়েও ভাবতে হবে। সবার আগে প্রয়োজন এই বড় ধরনের ক্ষতি থেকে খামারি ও প্রান্তিক কৃষকদের রক্ষা করা। সরকার বিষয়টিতে অবিলম্বে নজর দেবে এমনটাই প্রত্যাশা।

advertisement
Evaly
advertisement