advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চার কারণে বাড়ছে চালের দাম
জরুরি ভিত্তিতে বাজারে হস্তক্ষেপ প্রয়োজন

৩ জুলাই ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ২ জুলাই ২০২০ ২৩:৫৫
advertisement

ভরা মৌসুমে আবারও চালের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এর অন্যতম কারণ আমাদের দেশে একশ্রেণির ব্যবসায়ী রয়েছেন, যারা সুযোগ পেলেই জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে ভোক্তার পকেট কাটেন। গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছেÑ চার কারণে বাড়ছে চালের দাম। এর মধ্যে রয়েছেÑ করোনাকালীন গরিব ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বাজার থেকে ব্যাপক পরিমাণে চাল কেনায় বাজারে চাহিদা বেড়েছে। ফলে বেড়েছে দাম। করোনার প্রভাবে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বর্ধিত ব্যয় চালের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় খুচরা বাজারে প্রভাব পড়তে পারে। মিল মালিকরা ভবিষ্যতে মুনাফার আশায় ব্যাপক হারে ধান সংগ্রহ করেছেন। এ অবস্থায় ধানের দাম কিছুটা বেড়েছে। ফলে চালের মূল্যের ওপর প্রভাব পড়েছে। এ ছাড়া পাইকারি ব্যবসায়ীদের মতে, মিল মালিকরা চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত ২১ জুন করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলাসংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুসারে ২২ থেকে ২৪ জুন রাজধানীর বাজারগুলোয় অভিযান চালিয়ে চারটি কারণ বের করে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ। এমন অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হলে সরকারকে বাজারের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখতে হবে। বাজার পুরো অস্থিতিশীল হওয়ার আগেই হস্তক্ষেপ করতে হবে এবং নতুন এক মজুদদার গোষ্ঠী বাজারে ধান-চালের ব্যবসায় যুক্ত হয়েছে। তারা কিছু ব্যবসায়ী বিনিয়োগ উঠিয়ে নিয়ে যুক্ত হয়েছেন ধান-চালের ব্যবসায়। তারা ধান-চাল কিনে রাখছেন। এতে দাম বাড়ছে। তাদের নজরদারিতে রাখতে হবে। একদিকে মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে কৃষক ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে বাজারে ধান-চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাসাধারণের মধ্যে নাভিশ্বাস উঠেছে। সরকারকে চালের বাজার স্বাভাবিক রাখায় বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করতেই হবে। ভাঙতে হবে অসাধু ব্যবসায়ীদের আঁতাত। সরকারকে বাজারের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখতে হবে। বাজার পুরো অস্থিতিশীল হওয়ার আগেই জরুরি ভিত্তিতে বাজারে হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। যারা চালের বাজারে কোনো রকমের কারসাজি করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

advertisement