advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সব কিছুতেই ঢিলেঢালা ভাব
মানসম্পন্ন সুরক্ষাসামগ্রী নিশ্চিত করতে হবে

৪ জুলাই ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ৩ জুলাই ২০২০ ২২:৩২
advertisement

দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে বলে মনে করছেন কয়েকজন বিশেষজ্ঞ। চলতি মাসের তৃতীয় বা চতুর্থ সপ্তাহ থেকে সংক্রমণের মাত্রা কমতে শুরু করবে। সংক্রমণ কতটা কমবে, তা নির্ভর করবে স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর। আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে করোনার সংক্রমণ আবার বাড়তে পারে। গত ২৩ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের এক প্রজ্ঞাপনে এসব কথা বলা হয়েছে।

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় গৃহীত স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে সরকার ২৮ মার্চ আটজন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে একটি কমিটি করে। কমিটির একেকজন বিশেষজ্ঞকে একেকটি বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ কমিটি এপিডেমিওলজিক্যাল ফর্মুলার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে দেশে করোনার সংক্রমণ কী রকম হতে পারে, তার প্রক্ষেপণ তৈরি করে ২৩ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা দেয়। এখন স্বাস্থ্যবিধি মানা হলে করোনার সংক্রমণ কমতে শুরু করবে। আর না মানলে সংক্রমণ আরও বাড়বে।

বলার অপেক্ষা রাখে নাÑ সংক্রমণ যখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে গেছে, তখন জনজীবন স্বাভাবিক হয়ে সব কিছুতেই ঢিলেঢালা ভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হলে প্রয়োজন সুরক্ষাসামগ্রী, অথচ এই সময়ে করোনা মহামারীতে ভেজাল ও নকল নিম্নমানের সুরক্ষাসামগ্রীতে বাজার ছেয়ে গেছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে মানহীন পণ্য সরবরাহ করছে। এসবের অধিকাংশ চোরাইপথে বিদেশ থেকে আসছে। কিছু তৈরি হচ্ছে দেশেই। এই পণ্যগুলো ব্যবহার করে জীবাণুর সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়ছে, কারণ যারা না জেনেই নকল পণ্য ব্যবহার করবেন, তারা অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করবেন না। তারা জানেন যে, তাদের সুরক্ষা রয়েছে। কিন্তু তাদের ব্যবহৃত পণ্য সুরক্ষা দিতে পারবে না। ফলে যারা না জেনেই নকল পণ্য ব্যবহার করছেন, তারা সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন।

আমরা চাই সরকার অবিলম্বে বিষয়টিতে মনোযোগ দেবে এবং বাজারে যারা নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও সুরক্ষাসামগ্রী বিক্রি করছে, তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় নিয়ে আসবে।

advertisement