advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জেনে রাখা ভালো
স্যাটেলাইট

৪ জুলাই ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ৩ জুলাই ২০২০ ২২:৩৬
advertisement

স্যাটেলাইট বা উপগ্রহ মহাকাশে থেকে পৃথিবীকে ঘিরে ঘুরতে থাকে। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে এটি ঘোরে। তাই এটিকে মহাকাশে রাখার জন্য কোনো জ্বালানি বা শক্তি খরচ করতে হয় না। পৃথিবী তার অক্ষে ২৪ ঘণ্টায় ঘুরে আসে। স্যাটেলাইটকেও যদি ঠিক ২৪ ঘণ্টায় একবার পৃথিবীকে ঘুরিয়ে আনা যায়, তা হলে পৃথিবী থেকে মনে হবে সেটি বুঝি আকাশের কোনো এক জায়গায় স্থির হয়ে আছে। এ ধরনের স্যাটেলাইটকে বলে জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট। যে কোনো উচ্চতায় জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট রাখা যায় না। এটি প্রায় ৩৬ হাজার কিলোমিটার ওপরে একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে রাখতে হয়। আকাশে একবার জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট বসানো হলে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে সেখানে সিগন্যাল পাঠানো যায় এবং স্যাটেলাইট ওই সিগন্যালটিকে নতুন করে পৃথিবীর অন্য প্রান্তে পাঠিয়ে দিতে পারে। এই পদ্ধতিতে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে রেডিও, টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা ইন্টারনেটে সিগন্যাল পাঠানো যায়। ১৯৬৪ সালে প্রথম যখন এভাবে মহাকাশে প্রথমবার জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট স্থাপন করা হয়, তখন যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল।

স্যাটেলাইট দিয়ে যোগাযোগ করার দুটি সমস্যা রয়েছে। যেহেতু স্যাটেলাইটটি পৃথিবী থেকে অনেক উঁচুতে থাকে, সেহেতু সেখানে সিগন্যাল পাঠানোর জন্য অনেক বড় অ্যান্টেনার দরকার হয়। দ্বিতীয় সমস্যাটি একটু বিচিত্র। পৃথিবী থেকে যে সিগন্যাল পাঠানো হয়, সেটি ওয়্যারলেসে সিগন্যাল। ওয়্যারলেস সিগন্যাল দ্রুতবেগে গেলেও এই বিশাল দূরত্ব অতিক্রম করতে একটু সময় নেয়। তাই টেলিফোনে কথা বললে অন্য পাশ থেকে কথাটি সঙ্গে সঙ্গে না শুনে একটু পরে শোনা যায়।

(স্যাটেলাইট ও অপটিক্যাল ফাইবার, অধ্যায় ২ : কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি)

advertisement