advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সংযোগ সড়ক না থাকায় কাজে আসছে না কোটি টাকার সেতু

জাহিদুল হক মনির ঝিনাইগাতী
৪ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩ জুলাই ২০২০ ২২:৫০
advertisement

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সোমেশ্বরী নদীর ওপর প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে গজারমারী সেতু। কিন্তু এর দুই পাশে কোনো সংযোগ সড়ক নেই। এ কারণে প্রতি বর্ষায় আশপাশের ১০ গ্রামের মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়। সেতুটি তাদের কোনো কাজেই আসে না। এই সংযোগ সড়কের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের সীমানা ঘেঁষে ধানশাইল ইউনিয়নের গজারমারী এলাকায় সোমেশ্বরী নদীর ওপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে ২০০৪ সালে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে গজারমারী সেতু নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সেতুর দুই পাশে সাড়ে তিন কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নেই। সংযোগ সড়কসহ এই পথে আট কিলোমিটার সড়কে মাটি ভরাট না করায় প্রতি বর্ষায় সড়কটি পানিতে ডুবে যায়। এ কারণে ধানশাইল ইউনিয়ন থেকে উপজেলা সদরে এ পথে চলাচলকারী ১০টি গ্রামের সাধারণ মানুষসহ শিক্ষার্থীরা বর্ষার সময় ভোগান্তির শিকার হন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী সংযোগ সড়ক ও সড়ক সংস্কারের দাবি জানাচ্ছেন। কিন্তু কোনো লাভ হচ্ছে না। বর্ষায় গ্রামবাসীর চলাচলের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নৌকা। প্রতিদিন নৌকায় পারাপার হতে গিয়ে তাদের নানা দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষক সাহেদ আলী বলেন, বর্ষা মৌসুমে মানুষের চলাচলের একমাত্র বাহন হয়ে ওঠে নৌকা। এ ছাড়া এলাকায় উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও গবাদিপশু পারাপারে সীমাহীন বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় কৃষকদের। অন্যদিকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও রয়েছে বিপাকে।

ধানশাইল ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে রাস্তাটি তলিয়ে যায়। শুধু ভেসে থাকে সেতুটি। ওই সময় গ্রামবাসীর চলাচলে দুর্ভোগের সীমা থাকে না।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বলেন, এ এলাকার জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি সংস্কার, প্রশস্ত ও পাকা না করেই মাঝপথে বিশাল আকারের একটি সেতু নির্মাণ করেছে এলজিইডি। ১৬ বছর আগে কোটি টাকা ব্যয়ে ওই সেতু নির্মাণ করা হলেও তা এলাকাবাসীর কাজে আসছে না।

শেরপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন বলেন, ওই রাস্তাটি উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের একটি টিম ঢাকা থেকে এসে পরিদর্শন করে গেছে। এরই মধ্যে প্রাক্কলন তৈরি করে পাঠানো হয়েছে। এখন জুলাই বা আগস্ট মাসে অনুমোদন পাওয়া গেলে এ বছরই দরপত্র আহ্বান করা হবে।

advertisement
Evaly
advertisement