advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও প্রধান
২ সপ্তাহের মধ্যে করোনার ওষুধ ট্রায়ালের ‘ফলাফল’

অনলাইন ডেস্ক
৪ জুলাই ২০২০ ২০:২০ | আপডেট: ৫ জুলাই ২০২০ ০০:৫০
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস
advertisement

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ-নির্মূলের আশায় চলমান ওষুধের যে ট্রায়াল চলছে তার ফলাফল আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস। গতকাল শুক্রবার এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

ডব্লিউএইচও প্রধান বলেন, ‘করোনা প্রতিরোধের আশা নিয়ে বিশ্বের ৩৯টি দেশে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার রোগীর ওপর ওষুধের ট্রায়াল চলছে। তার ‘অন্তর্বর্তী ফলাফল’ সামনের দুই সপ্তাহের ভেতর আমরা আশা করছি।’

ওষুধের ফলাফলের কথা বললেও কবে নাগাদ ভ্যাকসিন আসতে পারে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে বলতে পারেননি তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিজ্ঞানীরাও এ বিষয়ে পরিষ্কার কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

রেমডেসিভির, লোপিনাভির/রিটোনাভির এবং লোপানিভিসহ কয়েকটি ওষুধ ডব্লিউএইচও’র ‘সলিডারিটি ট্রায়ালে’ পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া পৃথিবীর বিভিন্ন কোম্পানির ১৪০টি ভ্যাকসিন ট্রায়ালে আছে।

ডব্লিউএইচও’র তথ্যমতে, করোনার ভ্যাকসিন ট্রায়ালে প্রথম ধাপে আছে ১১টি কোম্পানি, দ্বিতীয়তে আটটি। তৃতীয় ধাপে তিনটি, অনুমোদন পেয়েছে চীনের একটি কোম্পানি। দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্যদের ব্যবহারের জন্য ‘বিশেষ অনুমোদন’ দেওয়া হয়েছে।

করোনার কোনো প্রতিষেধক না থাকায় চীন, আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো দেশ উঠে পড়ে লেগেছে এ রোগের টিকা কিংবা ওষুধ বের করতে। তিনটি দেশই দাবি করছে, আগামী সেপ্টেম্বরের ভেতরে অন্তত যেকোনো কোম্পানির একটি ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে। কিন্তু তাতে সাধারণ মানুষের কোনো লাভ নেই। কারণ, করোনার ওষুধ বা ভ্যাকসিন মানুষের হাতে আসতে সময় লেগে যাবে এক বছরের বেশি।

advertisement