advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

হাইড্রোক্সি ক্লোরোকুইনের ব্যবহার আবার নিষিদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৬ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৫ জুলাই ২০২০ ২২:৫৬
advertisement

করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের পরীক্ষামূলক ব্যবহার বন্ধ রাখার পুনঃসিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। পাশাপাশি সংস্থাটি এইচআইভির ওষুধ লোপিনাভির/রিটোনাভির ব্যবহারও নিষিদ্ধ করেছে। এর আগেও একটি প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে গত মে মাসের শেষ দিকে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার বন্ধ করেছিল তারা। কিন্তু সপ্তাহখানেক পরে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছিল। দ্য গার্ডিয়ান।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন এবং লোপিনাভির/রিটোনাভির প্রয়োগে করোনা রোগীদের মৃত্যুঝুঁঁকি কমে না বলেই তা বন্ধ রাখার নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন পরীক্ষায় এই ওষুধগুলো

প্রয়োগে রোগীদের মৃত্যুঝুঁঁকি কমার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কোনো প্রভাব থাকলেও তা খুবই সামান্য।

করোনা ভাইরাস সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসায় কোনো ওষুধ না থাকার কারণে বিদ্যমান নানা ওষুধ নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছেন চিকিৎসকরা, যার ফলে বিভিন্ন দেশে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হয় ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রোক্সি ক্লোরোকুইন, এইচআইভির ওষুধ লোপিনাভির/রিটোনাভির, রেমডেসিভিরের।

কিন্তু গত ২৫ মে ডব্লিউএইচও হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেটটির পরীক্ষামূলক ব্যবহার বন্ধ রাখতে বলে। এই ওষুধ সেবনে অনেকের হৃৎস্পন্দনে গুরুতর অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফডিএ-ও সতর্কবার্তা দিয়েছিল।

পরে ৪ জুন ওই সিদ্ধান্ত পাল্টে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাডহানম গেব্রিয়েসুস বলেছিলেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের পরীক্ষামূলক ব্যবহারে বাধা নেই। ডব্লিউএইচওর গবেষক দল যাচাই করে দেখেছে যে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন সেবনে কোভিড-১৯ রোগীদের ঝুঁকিতে পড়ার কোনো প্রমাণ নেই।

advertisement