advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শ্রমিকদের পাওনা দ্রুত বুঝিয়ে দিতে কাজ চলছে

আবু আলী
৬ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ জুলাই ২০২০ ০০:২৬
advertisement

বন্ধ হওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর শ্রমিকদের পাওনা দ্রুত বুঝিয়ে দেওয়ার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রউফ। তিনি বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব বন্ধ পাটকল শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হবে। আমরা এ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। গত কয়েক বছর ধরে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো লোকসানে থাকায় শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হচ্ছিল সরকারি ভর্তুকির মাধ্যমে। আবার বিগত বছরগুলোয় যারা অবসরে গিয়েছেন, তাদেরও অবসর সুবিধা বাবদ বিপুল পরিমাণ টাকা পাওনা আছে। সার্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রাষ্ট্রায়ত্ত এসব পাটকলের কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল রবিবার আমাদের সময়ের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে বিজেএমসি চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। গত দশ বছরে পাটকলগুলোয় নতুন কোনো

লোক নিয়োগ দেওয়া হয়নি জানিয়ে আবদুর রউফ বলেন, ‘প্রতিবছর সিনিয়র শ্রমিকরা অবসরে গিয়েছেন কিন্তু তাদের পাওনা পরিশোধ করা হয়নি। প্রায় ৯ হাজার শ্রমিকের এক হাজার কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। এ ছাড়া ২৫ হাজার শ্রমিকের পাওনা নিয়ে হিসাব-নিকাশের কাজ চলছে। এক্ষেত্রে কিছু জটিলতাও রয়েছে। অনেক শ্রমিকের ব্যাংক হিসাব নেই। যেহেতু শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হবে, সেহেতু সব ধরনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করে তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এর পর মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাই শেষে তাদের পাওনা পরিশোধ করবে।’

তিনি জানান, ‘বিজেএমসির আওতাধীন বর্তমানে ১৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন ১৩২ শিক্ষক। তাদের বিষয়টি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এমপিওভুক্তির মাধ্যমে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হবে।’

বিজেএমসির খেলাধুলার যে দল রয়েছে তার ব্যাপারে আবদুর রউফ বলেন, ‘আগের অনেক খেলোয়াড়ের পাওনা রয়েছে, সেটিই এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে নতুন করে আর খেলাধুলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে না। পাটকল বন্ধের ফলে টিম বিজেএমসিরও কার্যক্রম বন্ধ। প্রতিষ্ঠানটি স্বাধীনতার পর থেকে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিশাল অবদান রেখে আসছিল। বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে এই সরকারি প্রতিষ্ঠানটি খেলাধুলায় অংশ নিত। মূলত টিম বিজেএমসি খেলোয়াড় ভাড়া করে দল পরিচালনা করত। এখন থেকে আর সেই সুযোগটি থাকছে না।’

বন্ধ পাটকলগুলো চালুর জন্য রিমডেলিংয়ের কাজ চলছে উল্লেখ করে তিনি জানান, নতুন ব্যবস্থাপনায় এসব কারখানায় পুরনো শ্রমিকদের চাকরির নিশ্চয়তা থাকবে। তাদের কর্মসংস্থানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে পরবর্তী কৌশল সাজাচ্ছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। এক্ষেত্রে দক্ষ শ্রমিকদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।

advertisement