advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাড়ছে নদীভাঙন
কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করুন

৬ জুলাই ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ৬ জুলাই ২০২০ ০০:৪৩
advertisement

নদীভাঙন এ দেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা। নদীভাঙনের কারণে বাড়িঘর, আবাদি জমি, গাছপালাসহ নানা ধরনের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মুহূর্তে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙনকবলিত নিঃস্ব মানুষই কেবল জানেন কী তার মর্মবেদনা। এখন এই মর্মবেদনা অনুভব করছেন বগুড়া, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও মাদারীপুরের শিবচরের বাসিন্দারা। কারণ এসব এলাকায় নদীভাঙন বেড়েছে।

পানিবন্দি ও নদীভাঙনের শিকার মানুষ ঘরবাড়ি ও গবাদিপশু নিয়ে উঁচু সড়ক ও বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন। তারা খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সংকটে ভুগছেন। বারবার নদীভাঙনে বিপন্ন হয়ে পড়েছে তাদের জীবন। তারা অনেক কষ্টে আছেন ও দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। তাদের খাদ্য দরকার। তবু তাদের অনেকে ত্রাণ চান না। তারা নদীভাঙন থেকে পরিত্রাণ চান, স্থায়ী বাঁধ চান। যাতে আর প্রতিবছর বর্ষাকালে মানবেতর জীবনযাপন করতে হয় না।

ভাঙন রোধে এখনই উদ্যোগ নেওয়া দরকার, নইলে পুরো এলাকাই নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। এজন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় পাউবোকে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। নদীভাঙন রোধে দ্রত প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। উপজেলা প্রশাসনকেও এ ব্যাপারে তৎপর হতে হবে। সাধারণত দেখা যায়, স্থানীয় প্রশাসন থেকে চাপ না এলে বা কোনো কাজের গুরুত্ব যথাযথভাবে তুলে ধরতে না পারলে এ ধরনের কাজে অর্থের বরাদ্দ বা প্রকল্প পাস করানো সহজ হয় না।

আমাদের দেশে নদীতীরবর্তী মাটির তলদেশ ক্ষয়ে যাওয়া, বন্যার তীব্রতা বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত খনন, নদীর গতিপথ পরিবর্তন, নদীতে অপরিকল্পিত বাঁধ, গ্রোয়েন নির্মাণসহ নানা কারণে নদী ভাঙন হয়। সরকারি উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙন রোধে নেওয়া হয় নানা প্রকল্প। এতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও এসব ব্যবস্থা স্থায়ী হয় না। আমরা চাই, ভাঙনপ্রবণ নদীতে সৃষ্ট ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

advertisement
Evaly
advertisement