advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

‘উগ্র বামদের’ হারানোর অঙ্গীকার

স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পের ভাষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৬ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ জুলাই ২০২০ ০১:১৪
advertisement

মার্কিনিদের ক্যালেন্ডারে ৪ জুলাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৭৭৬ সালের এই দিনে ব্রিটেনের কাছ থেকে আমেরিকা স্বাধীন হয়েছিল। স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় এই ছুটির দিনে প্রতিবছর দেশটির প্রেসিডেন্ট ভাষণ দিয়ে থাকেন, এ ছাড়া থাকে নানা অনুষ্ঠান। এ বছর আমেরিকানরা এমন সময় তাদের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছেন যখন চারদিকে করোনার মহামারী চলছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে করোনার প্রকোপ এখনো ঊর্ধ্বমুখী। তার পরও ট্রাম্পের সুরে এসব মহামারী পাত্তা পায়নি। যুক্তরাজ্যজুড়ে যে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন চলছে, ভাষণের গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ ছিল এটিই। তিনি এই ‘উগ্র বামপন্থিদের’ পরাজিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। খবর বিবিসি।

হোয়াইট হাউসের যেখানে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প ভাষণ দিচ্ছিলেন, তার অদূরেই বর্ণবাদবিরোধীরা বিক্ষোভ করছিল। মে মাসের শেষ সপ্তাহে মিনিয়াপোলিসে পুলিশি হেফাজতে জর্জ ফ্লয়েড মারা যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়, যা এখনো চলছে। বিক্ষোভের ধারাবাহিকতায় আন্দোলনকারীরা দাস ব্যবসা ও সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে যুক্ত এমন ব্যক্তির ভাস্কর্য ভেঙে ফেলেছে। এর মধ্যে ক্রিস্টোফার কলম্বাসসহ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টও রয়েছেন। ট্রাম্প তাদের দুষ্কৃতকারী ও সন্ত্রাসী বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি এদের কাছ থেকে মার্কিন ইতিহাস রক্ষায় নিজেকে ত্রাণকর্তা হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।

ট্রাম্প স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে বলেন, সবসময় এমন কিছু মানুষ ছিল, যারা ক্ষমতা অর্জনের জন্য অতীত সম্বন্ধে মিথ্যা বলে এসেছে। তারা আমাদের ইতিহাস নিয়ে মিথ্যা বলছেন, তারা চাইছেন আমরা আজ যা, তার জন্য যেন লজ্জিত হই। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে ধ্বংস।

ট্রাম্প আরও বলেন, আমরা উগ্রবাম ও নৈরাজ্যবাদীদের পরাজিত করব। তারা এমন লুটেরা যে অনেকের তা ধারণাও নেই। আমরা কোনোভাবেই এসব গ্রহণ করতে পারি না। আর কোনো ভাস্কর্য ভাঙতে দেওয়া হবে না, ইতিহাস মুছতে দেওয়া হবে না। এসব অরাজকতার সঙ্গে আমরা আমাদের শিশুদের পরিচয় করিয়ে দিতে পারি না।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন নতুন আইন করেছেন, যাতে ভাস্কর্য বা স্মৃতিফলক বিনষ্টকারীদের জন্য জেল-জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলছে। করোনা মোকাবিলায় ট্রাম্পের ভূমিকার ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। এর মধ্যেই স্বাধীনতা দিবসের ভাষণেও তিনি বলেন, আক্রান্তদের ৯৯ শতাংশই মামুলি। তবে তিনি এ জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী চীনকে দোষারোপ করে বলেন, অবশ্যই বেইজিংকে জবাবদিহি করতে হবে। যদিও সমালোচকরা বলে থাকেন, আসছে নভেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিজের ব্যর্থতা ঢাকতেই চীনকে বাহানা হিসেবে ব্যবহার করছেন ট্রাম্প।

advertisement