advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ব্রিটিশরা কেমন কাটালেন লকডাউনমুক্ত প্রথম রাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৬ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ জুলাই ২০২০ ০১:১৪
advertisement

করোনা ভাইরাসের মহামারীকালে প্রায় তিন মাস ছিল বন্দি জীবন। সামাজিক সব ধরনের বিনোদন ছিল বন্ধ। শনিবার ব্রিটিশ সরকার পাব, রেস্টুরেন্ট, সিনেমা হলসহ প্রায় সব কিছু খুলে দেয়। আর তিন মাস পর দেশবাসী পেয়েছে মুক্তির স্বাদ। গতকাল এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি।

ঘর থেকে বের হওয়া লোকজনের ¯্রােতে রাস্তাগুলোতে জ্যাম লেগেছিল বলে ডোরসেট, ডেভন ও কর্নওয়ালের পুলিশ জানিয়েছে। তাদের মধ্যে উপকূলমুখী মানুষের গাড়ির ভিড়ও উল্লেখযোগ্য ছিল। বিধিনিষেধ শিথিল করার পরও ইংল্যান্ডের ৩০ শতাংশ বার, পানশালা ও রেস্তোরাঁ বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছে নাইট-টাইম ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন। সামাজিক যোগাযোগ দূরত্ব বিধির প্রয়োগ নিয়ে উদ্বেগ ও সুরক্ষা নিয়ে শঙ্কার কারণে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয় বলে জানিয়েছে তারা। অনেকেই তিন মাস পর পানশালায় বসে পান করার আনন্দ উপভোগ করেছেন।

করোনা ভাইরাসে যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের স্মরণে লোকজনকে তাদের জানালাগুলোতে আলো জ্বালিয়ে রাখতে উৎসাহিত করা হয়। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও বাসভবন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট নীল আলোতে উদ্ভাসিত ছিল। এর পাশাপাশি রয়েল আলবার্ট হল, ব্ল্যাকপুল টাওয়ার, শাড ও ওয়েমব্লি আর্চও নীল আলোতে আলোকিত ছিল।

আগেই ধারণা করা হয়েছিল, এ দিন অন্তত ৯০ লাখ লোক এতে সমবেত হবেন। তাই এত মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। আর বাস্তবে হয়েছেও তাই। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এ নিয়ে ব্রিটিশ সরকার আগেই সতর্ক করেছে। ব্রিটিশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সাধারণ জনগণকে দায়িত্বশীল হতে তাগিদ দিয়েছেন। তবে তার সরকারেরই বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, এখনো ‘ঝুঁকিমুক্ত নয়’। এদিকে যারা স্বাস্থ্যবিধি মানবে না তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকুক সতর্ক করেছেন।

advertisement