advertisement
advertisement

টাঙ্গাইলে কেনাবেচার ধুম

মো.আবু জুবায়ের উজ্জল টাঙ্গাইল সদর
৬ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ জুলাই ২০২০ ০১:২৮
advertisement

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় বর্ষার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নৌকা তৈরি ও বেচাকেনার ধুম পড়েছে। এ ছাড়া অনেকে পুরাতন নৌকা মেরামত করে নিচ্ছেন। ব্যস্ত সময় পার করছেন নৌকা তৈরির কারিগররা। বর্ষার কারণে চাহিদা বেড়ে গেছে নৌকার। বর্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত হুগড়া, কাকুয়া, কাতুলী ও মাহমুদনগর নদীবেষ্টিত এলাকার জেলেরা নৌকা দিয়ে রাতদিন মাছ শিকার করেন। চরাঞ্চলের নিচু এলাকার বাসিন্দারা নৌকার মাধ্যমে খেয়া পার হয়ে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রাম ও স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, হাটবাজারে যাতায়াত করেন। নদীতীরবর্তী গ্রামগুলোতে নৌকার ব্যবহার হচ্ছে যুগ যুগ ধরে। বন্যার সময় নৌকাই একমাত্র ভরসা। বন্যার পরপরই শুরু হবে নৌকাবাইচ।

সরেজমিনে সদর উপজেলায় কাতুলী ইউনিয়নের তোরাপগঞ্জ ও কাকুয়া ওমরপুর এলাকার নৌকার তৈরির কারখানায় দেখা যায়, নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। কেউ করাত দিয়ে কাঠ কাটায় ব্যস্ত। কেউ হাতুড়ি দিয়ে নৌকায় পেরেক বা গজাল লাগাতে ও আবার কেউবা তৈরি নৌকা বিক্রি নিয়ে ব্যস্ত। সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন নৌকা তৈরির কারিগররা। নৌকা তৈরি কারিগর আ. সামাদ বলেন, সারাবছর নৌকা তৈরি করলেও বর্ষাকালে ব্যস্ততা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এবার আগাম বন্যা হওয়ায় নৌকার চাহিদা বেড়ে গেছে। প্রতিটি নৌকা বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার থেকে আট হাজার টাকায়। দূর-দূরান্ত থেকে আগত ক্রেতারা প্রতিদিন তাদের পছন্দসই নৌকা এখান থেকে কিনে নিচ্ছেন।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, নৌকা নির্মাণ ও ব্যবহার সুদীর্ঘকালের ঐতিহ্য। ঐতিহ্যবাহী এ বাহনকে ধরে রাখতে এবং নির্মাণশ্রমিকদের টিকিয়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

advertisement