advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গোঁজামিলের বিদ্যুৎ বিলে দায়ী ২৯০ জন
শাস্তি নিশ্চিত ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করুন

৭ জুলাই ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ৬ জুলাই ২০২০ ২২:১৬
advertisement

বিদ্যুৎ বিভাগ বাড়তি বিল করে এমন অভিযোগ কমবেশি প্রায়ই শোনা যেত। করোনা সংকটের সময় সেটি আরও বেড়েছে। এর কারণ, করোনার সময় সরবরাহ প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে আবাসিক ভবনে গিয়ে মিটার পরীক্ষা করার সুযোগ ছিল না। কর্তৃপক্ষ অবশ্য প্রথমে দাবি করেছিল, তারা কোনো ভুতুড়ে বা বাড়তি বিল করেনি। করোনাকালে মানুষ বেশি সময় ঘরে থেকেছে বলে বিদ্যুৎ ব্যবহার বেশি করেছে। তাদের এই যুক্তি অবশ্য ধোপে টেকেনি। দেখা গেছে ভাড়াটিয় চলে গেছে দুই মাস আগে, সেই খালি ফ্ল্যাটেও হাজার হাজার টাকার বিল করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সরকারের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো কাজ করে থাকে এবং একটি লক্ষ্যমাত্রাও ধরা থাকে। অর্থবছরের শেষদিকে এসে সংস্থাগুলো ঘাটতি মেটাতে গ্রাহকদের ওপর বেশি বিল চাপিয়ে দেয়। হয়রানির আশঙ্কা ও প্রতিকার না পাওয়ার হতাশা থেকে অনেক গ্রাহক আপত্তি করেন না। ফলে ভুতুড়ে বিল করেও সংস্থাগুলো মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয় গ্রাহকদের কাছ থেকে। এটি খুবই উদ্বেগজনক। সংস্থার ঘাটতির দায় গ্রাহকদের ওপর চাপানো, এ কৌশল থেকে সরে আসতে হবে।

যেহেতু সম্প্রতি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল দেওয়া নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ তদন্তের ব্যবস্থা নেয়। সেই তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে গত রবিবার দুপুর ১টায় ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করেন বিদ্যুৎ সচিব ড. সুলতান মাহমুদ। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ৩০ জুনের মধ্যে আবাসিক গ্রাহকের বিলম্ব মাসুল ছাড়া বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার যে সময় বেঁধে দেওয়া হয় সেটি বাড়ানোর চিন্তাভাবনা চলছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের বাড়তি বিল সংশোধনের যে চেষ্টা চলছে সেটা অব্যাহত থাকবে। তবে জুনের বিলের সঙ্গেই সব সমাধান করা যাবে বলে তিনি জানান।

আমরা তাদের কথায় আস্থা রাখতে চাই। এই করোনার সংকটকালে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা না হয় সেজন্য যা যা করা প্রয়োজন কর্তৃপক্ষ তাই করবে এমনটাই প্রত্যাশা।

advertisement
Evaly
advertisement