advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সাফে বড় সুযোগ দেখছেন রানা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৭ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ জুলাই ২০২০ ২৩:০৪
advertisement

করোনা ভাইরাসের কারণে দেশের খেলাধুলা বন্ধ রয়েছে। অলস সময় কাটাচ্ছেন ফুটবলাররা। এরই মধ্যে পেশাদার লিগের খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ঘরোয়া টুর্নামেন্টের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক খেলাগুলোয়ও করোনার প্রভাব পড়েছে। করোনার জন্য ২০২২ বিশ্বকাপ ও এএফসি কাপের যৌথ বাছাইয়ের খেলার নতুন সূচি করা হয়েছে। তবে চলতি বছর হচ্ছে না সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আসর। কদিন আগে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) এক ভার্চুয়াল সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। আগামী বছরের কোনো এক সময় হতে পারে এ টুর্নামেন্ট। আগামী সেপ্টেম্বরে সাফের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এবারও সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ হবে বাংলাদেশে। ২০১৮ সালের গত আসরও হয়েছিল বাংলাদেশেই। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ পিছিয়ে যাওয়ায় ভালোই হয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা। তার মতে, আগামী বছর টুর্নামেন্ট পিছিয়ে যাওয়ায় পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে। যাতে টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া যায়। ঘরের মাঠে সাফ হবে, তাই ভালো ফলের আশাও থাকছে। আশরাফুল রানা বলেন, ‘২০২০ সালে বাংলাদেশে যে সাফ টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা ছিল সেটি কোভিড ১৯-এর কারণে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হবে। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি, সাফ আমাদের দেশের জন্য বড় একটি টুর্নামেন্ট। যেহেতু আমাদের ভালো একটা সুযোগ আছে যে আমাদের হোম ভেন্যুতে খেলাটি হবে, তবে আমাদের প্রস্তুতির যথেষ্ট ঘাটতি আছে। সে ক্ষেত্রে আমি মনে করি যে আগামী বছর অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের জন্য আমাদের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি থাকবে এবং এটি নিয়ে আমরা অনেক বেশি কাজ করতে পারব। আশা করি, সাফে আমাদের ভালো রেজাল্ট হবে।’

বর্তমানে ফিটনেস ধরে রাখার জন্য লড়ে যাচ্ছেন আশরাফুল রানা। কোচদের দেওয়া নির্দেশনামতো কাজ করছেন। ওয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে শিষ্যদের নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ জেমি ডে। ঘরে থেকে কীভাবে ফিটনেস ধরে রাখা যায়, সেসব ভিডিও দিচ্ছেন তিনি। খাবার-দাবারেও নির্দেশনা রয়েছে। সব মিলিয়ে করোনা ভাইরাসের এ সময় নিজেকে ফিট রাখার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দেশের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক আশরাফুল রানা। তিনি জানান, ঘরের মাঠে দর্শকদের প্রত্যাশা বেশি থাকে। উজ্জীবিত থাকেন ফুটবলাররাও। নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলার চেষ্টা করেন তারা। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কাতার ও ভারতের বিপক্ষে সুন্দর ফুটবল উপহার দিয়েছে দল। টিম স্পিরিট ও টেকনিক ছিল অসাধারণ। খেলার লেভেলটা উঁচুতে উঠেছিল। করোনার কারণে খেলায় ছেদ পড়েছে। হারানো আত্মবিশ্বাস নিয়ে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে তাদের। ঘরের মাঠে খেলা বলেই সাফে ভালো ফল আশা করা যায়। এদিকে সাফ ও বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন জানিয়েছেন,  জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জম্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে চলতি বছরের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বঙ্গবন্ধুর নামেই আয়োজন করার কথা ছিল। আগামী বছর যখনই টুর্নামেন্ট হোক বঙ্গবন্ধুর নামেই হবে।

এরই মধ্যে দ্বিতীয় মেয়াদে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়েছেন জেমি ডে। ইংলিশ এই কোচের লক্ষ্য বাংলাদেশকে একটি শিরোপা এনে দেওয়ার। বাংলাদেশের ফুটবল এগিয়ে যাচ্ছে জেমির অধীনে। একটি শিরোপার জন্য অধীর আগ্রহে আছেন ইংলিশ কোচও। সাফের ট্রফির দিকেই বিশেষ নজর জেমির। যে করেই হোক বাংলাদেশকে শিরোপা জেতাতে চাইবেন তিনি।

advertisement