advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কোরবানি-সংশয়ে মসলার চাহিদা ও দাম কম

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ জুলাই ২০২০ ২৩:১৭
advertisement

কোরবানির ঈদে চাহিদা বাড়ে মসলার। সেই সুযোগে দামও বেড়ে যায়; কিন্তু আসন্ন কোরবানির আগে উল্টো অবস্থা। গত কয়েক দিনে প্রায় সব ধরনের মসলার দাম কমছে। ব্যবসায়ীদের মতে, মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে এখনো ঈদকেন্দ্রিক বাজার শুরু হয়নি। অনেকেই আর্থিক সমস্যার কারণে কোরবানি দেওয়া নিয়ে সংশয়ে আছেন। তবে ঈদের আগে মসলার চাহিদা বাড়লে তখন কিছুটা দাম বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন তারা।

গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দারুচিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা দরে, যা সপ্তাহ আগে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। ৩২০০ থেকে ৩৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া এলাচের দাম কমে ২৭০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে চলে এসেছে। গত মাসে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া জিরা এখন ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দাম কমার এ তালিকায় রয়েছে লবঙ্গ, তেজপাতা, ধনে, আদা, পেঁয়াজ, রসুন, হলুদ, শুকনা মরিচও। বর্তমানে ৮০ টাকায় রসুন পাওয়া যাচ্ছে। গত মাসে ১৪০ টাকা ছিল। কিছুদিন আগে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া আদা এখন ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া শুকনা মরিচের দাম কমে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া লবঙ্গ ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা হয়েছে। দেড়শ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া তেজপাতা ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ী হোসনে আলী বলেন, এবার অনেকেই কোরবানি দেওয়া নিয়ে সন্দিহান রয়েছেন, যার ফলে মসলার চাহিদাও কমে গেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকায় কম দামেই মসলা বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে এবার ঠিকমতো করোনারির হাট বসবে কিনা নিশ্চয়তা নেই। আবার হাট বসলেও অনেকের হাটে যাওয়া অনিশ্চিত। স্বাভাবিকভাবেই এবার কোরবানির সংখ্যা কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরিস্থিতি যা-ই হোক, ঈদের এক সপ্তাহ আগে মসলার চাহিদা বাড়লে দাম কিছুটা বাড়তে পারে।

advertisement