advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

এমপি পাপুলের গ্রেপ্তার বিষয়ে কিছু জানে না জাতীয় সংসদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ জুলাই ২০২০ ২৩:১৭
advertisement

একাদশ জাতীয় সংসদের স্বতন্ত্র সদস্য (লক্ষ্মীপুর-২) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের (পাপুল) গ্রেপ্তারের বিষয়ে কিছু জানে না বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ। জাতীয় সংসদের কোনো সাংসদ গ্রেপ্তার হলে গ্রেপ্তারকারী কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকারকে জানানোর বিধান রয়েছে। মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতে আটক এই সাংসদের বিষয়ে কুয়েত সরকার বা সংশ্লিষ্ট কেউই আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য সংসদকে জানায়নি।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ওই সংসদ সদস্যের গ্রেপ্তারের বিষয়ে অফিসিয়ালি আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো খবর নেই। আমরা গণমাধ্যম থেকে যতদূর যা জেনেছি। অফিসিয়ালি কোনো তথ্য আমাদের কাছে আসেনি।

স্পিকার বলেন, কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী সংসদ সদস্যের গ্রেপ্তার বা আটকের কোনো খবর বা সংবাদ কোথাও থেকে দেওয়া হয়নি। কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই আমাদের জানাবেন। দেশের অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা সংস্থা এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত হয়েছেন কিনা বা হলেও কীভাবে হয়েছেন, জানা নেই।

সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ১৭২ নম্বর বিধিতে বলা হয়েছে, কোনো সংসদ সদস্য গ্রেপ্তার বা সাজাপ্রাপ্ত হলে স্পিকারকে জানাতে হবে। কোনো এমপি ফৌজদারি অভিযোগে বা অপরাধে গ্রেপ্তার হলে কিংবা কোনো আদালত কর্তৃক কারাদ-ে দ-িত হলে বা কোনো নির্বাহী আদেশে আটক হলে গ্রেপ্তারকারী বা দ-দানকারী বা আটককারী কর্তৃৃপক্ষ

বা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী কর্তৃপক্ষ তৃতীয় তফসিলে প্রদত্ত যথাযথ ফরমে গ্রেপ্তার, দ- বা আটকের কারণ বর্ণনা করে ঘটনা সম্পর্কে স্পিকারকে জানাবেন।

সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় সংসদের কোনো সদস্য গ্রেপ্তার হলে তা স্পিকারকে জানাতে হবে। কোনো সদস্য গ্রেপ্তারের পর মুক্তি পেলেও একই বিধান। কার্যপ্রণালি বিধিতে গ্রেপ্তারের বিষয়ে বাংলাদেশে বা বিদেশে হলে কী হবে তা আলাদা করে উল্লেখ নেই। বিদেশের ক্ষেত্রে হলেও কোনো না কোনো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তা স্পিকারকে জানাতে হবে।

গত ৭ জুন মানবপাচার, ভিসা জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে সংসদ সদস্য পাপুলকে গ্রেপ্তার করে কুয়েতের পুলিশ। সম্প্রতি কুয়েতের আদালত তাকে ২১ দিনের জন্য জেলে পাঠিয়েছে।

advertisement