advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৭ জুলাই ২০২০ ০০:৪৬
advertisement

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘বৈশ্বিক মহামারী করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রমকে চালিয়ে নিতে আমরা অনলাইন ক্লাসের ওপর গুরুত্বারোপ করছি। ইতোমধ্যে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান সেটা চালিয়েও যাচ্ছে। তবে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেই ইন্টারনেটের ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে

না। তাই শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে অথবা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেওয়া যায় কিনা, সে বিষয়ে মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে। কোম্পানিগুলো বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখবেন বলেই আমার আশা।’ গতকাল আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক উপকমিটির আয়োজনে এক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি সংকটই নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দেয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হলে তথ্য ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাই আমাদের হয়তো কিছু দিনের মধ্যে ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রমে যেতে হতো। করোনা আমাদের এ ক্ষেত্রে এগিয়ে দিয়েছে। এখন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমসহ অফিস-আদালতে বিভিন্ন মিটিং এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, সীমাবদ্ধ থাকবে। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সেগুলো কাটিয়ে উঠে নতুন এ বাস্তবতার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠব। করোনা পরবর্তী সময়েও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে।’

?শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময়ের টিউশন ফি দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পরও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে আমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকÑ সবাইকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। আবার একেবারে টিউশন ফি না দিলে প্রতিষ্ঠান তাদের শিক্ষকদের বেতন দিতে পারবে না। তাই দুপক্ষকেই কিছুটা ছাড় দিয়ে মানবিক হতে হবে।’

আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। আলোচক হিসেবে আরও যুক্ত ছিলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ডা. কামরুল হাসান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মাকসুদ কামাল, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা।

advertisement
Evaly
advertisement