advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মানবপাচারের গডফাদাররা নজরদারিতে

সিআইডিপ্রধান জানালেন এমপি পাপলুর বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৭ জুলাই ২০২০ ০০:৪৬
advertisement

লিবিয়ায় মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের নজরদারিতে রেখেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। অন্যান্য দেশেও মানবপাচারে জড়িতদের ওপর নজরদারি চলছে। মানবপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে কুয়েতে গ্রেপ্তার সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম পাপলুর বিষয়েও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। সিআইডির প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান গতকাল সোমবার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব কথা জানিয়েছেন। লিবিয়ায় মানবপাচারে জড়িতদের বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় মানিলন্ডারিং মামলার বিষয়েও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন।

কুয়েতে গ্রেপ্তার এমপির বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, পাপলুর বিষয়ে সব ধরনের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি। এটি আন্তর্জাতিক একটি ইস্যু। তাই অনেক বিষয় বিবেচনা করে কাজ করতে হচ্ছে। আশা করি শিগগিরই এ বিষয়ে জানাতে পারব।

লিবিয়ায় মানবপাচারের বিষয়ে সিআইডিপ্রধান বলেন, মানবপাচারকারীদের বিষয়ে সরকারের দুটি মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে আমরা দুটি তালিকা পেয়েছি। এ ছাড়াও পাচার হওয়া ভুক্তভোগী, তাদের পরিবার ও বিভিন্ন দেশের এম্বাসির কাছ থেকে অনেক নাম পাওয়া গেছে। তাদেরও নজরদারিতে রেখেছি। তিনি জানান, লিবিয়ায় মানবপাচারের ঘটনায় ২৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১১ জন। এ ঘটনায় জড়িত গডফাদারদের তিনজন সম্পর্কে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই আমরা কিছু বলতে

চাচ্ছি না। মানবপাচারকারী চক্রের গডফাদারদের বিষয়ে বিভিন্নভাবে অনুসন্ধান করছি। তাদের গ্রেপ্তার করতে পারলে অবশ্যই সামনে নিয়ে আসব। আমরা আইনি সকল প্রসিডিউর মেনেই কাজ করছি, যাতে গ্রেপ্তারের পর অপরাধীরা কোনো ছাড় না পায়।

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবুর রহমান আরও বলেন, আমরা মানিলন্ডারিং মামলার বিষয়েও তদন্ত শুরু করেছি। প্রথমে প্রাথমিকভাবে অনুসন্ধান করতে হয়, এর পর যে তথ্য পাওয়া যায় তার ভিত্তিতে মামলা হয়। সেই মামলার তদন্ত সিআইডি করে থাকে। এখন পর্যন্ত তিনজন ব্যক্তির ফাইল ওপেন করেছি। তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। সিআইডির কাছে মানিলন্ডারিং আইনে ১২টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে খালেদ মাহমুদের বিরুদ্ধে একটি মামলার চার্জশিট রয়েছে, আবার নতুন করে তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা হয়েছে। আশা করি এ মাসেই দুটি মামলার নিষ্পত্তি হবে। একই সঙ্গে এই মামলাগুলোর তদন্ত করতে গিয়ে আমরা মানিলন্ডারিংয়ের নতুন নতুন এভিডেন্স পেয়েছি।

যুবলীগের বহিষ্কৃত নেত্রী পাপিয়ার বিষয়ে অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে পাপিয়া ইস্যুটা একটু ঝিমিয়ে আছে। ইতোমধ্যে আমরা তার যত সম্পদ রয়েছে সমস্ত কিছুর বিষয়ে তদন্ত করেছি। আমাদের চব্বিশটি অর্গানাইজেশনের কাছ থেকে তথ্য আনতে হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু তথ্য এসেছে। বাকি তথ্য এলে তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

advertisement
Evaly
advertisement